ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ বলেছেন, বিগত ফ্যাসিস্ট আমল থেকেই ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তিগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক বোঝাপড়া ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় ছিল, যা অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও অব্যাহত ছিল। কিন্তু বিএনপি সরকার গঠনের পর থেকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও খুনের মতো ঘটনা ঘটছে।
তিনি অভিযোগ করেন, শুধু ইসলামী আন্দোলনই নয়, অন্যান্য রাজনৈতিক সংগঠনের ওপরও বিএনপির নেতাকর্মীরা নানাভাবে সহিংসতা চালিয়েছে। পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় একজন কর্মীকে পিটিয়ে হত্যার মতো ঘটনাকে তিনি বর্বরতা হিসেবে আখ্যায়িত করেন এবং এর জন্য ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতিকে দায়ী করেন। এছাড়াও, বরিশালের বাকেরগঞ্জের নিয়ামতি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের ওপর মিথ্যা অপবাদ দিয়ে হামলার ঘটনাতেও তিনি তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
মঙ্গলবার পুরানা পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত নিয়মিত বৈঠকে তিনি বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিচালনায় ব্যস্ত থাকলেও দল পরিচালনায় মনোযোগী হওয়া উচিত। তিনি সতর্ক করেন যে, দলের নেতাকর্মীরা যদি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের মতো আচরণ করে, তবে জনগণ পুনরায় রুখে দাঁড়াবে।
মহাসচিব নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ এবং জবাবদিহিতার আওতায় আনার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, দ্রুত তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নির্দিষ্ট কাজ দেওয়া প্রয়োজন। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, যদি বিএনপি নেতাকর্মীরা পুরোনো ধারায় রাজনীতি করে, তবে রাজনৈতিক সৌহার্দ্য নষ্টের দায় বিএনপিকেই নিতে হবে। বৈঠকে দলের অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 























