স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঘোষণা করেছেন যে, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিটি পরিবারের প্রধান নারী সদস্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পাবেন। তিনি এই উদ্যোগের সুফল পেতে নাগরিকদের ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়েছেন। মন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই জনহিতকর প্রকল্পের আওতায় দেশের সকলেই আসবেন, এমনকি জেলা প্রশাসক এবং তার নিজের স্ত্রীও এই কার্ডের সুবিধাভোগী হবেন।
মঙ্গলবার সকালে ঠাকুরগাঁওয়ের রহিমানপুর ইউনিয়নের ঈদগা মাদ্রাসা মাঠে পাইলট প্রকল্পের আওতায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার গঠনের মাত্র ২২ দিনের মধ্যে তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। তিনি অতীতের ১৫ বছরের শাসনকালে আইনি কানুনের অভাব এবং আর্থিক লেনদেন ছাড়া কাজ না হওয়ার সমালোচনা করেন, উল্লেখ করেন যে ফ্যামিলি কার্ড পেতে কোনো প্রকার অর্থ ব্যয় করতে হবে না।
মন্ত্রী আরও জানান, এই কার্ড নারীদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক শক্তি বৃদ্ধি করবে। তিনি সকলকে আশ্বস্ত করে বলেন যে, কেউই হতাশ হবেন না, কারণ এই পরিকল্পনা এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে প্রতিটি পরিবারের প্রধান নারী সদস্য এই কার্ডের আওতায় আসেন।
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পাশাপাশি মন্ত্রী ঠাকুরগাঁও জেলার উন্নয়নে সরকারের অন্যান্য উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে এবং সেচ সুবিধার জন্য খাল খনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এছাড়া, ঠাকুরগাঁওয়ে একটি মেডিকেল কলেজ ও বিমানবন্দর নির্মাণের কাজ দ্রুতই শুরু হবে এবং বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ২ থেকে ৩ লাখ টাকা আয়ের সুযোগ তৈরি করা হবে।
রিপোর্টারের নাম 

























