ঢাকা ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি: সাবেক চেয়ারম্যান বাচ্চুসহ ১৬ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি

বেসিক ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ ও দুর্নীতির মামলায় ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল হাই বাচ্চুসহ মোট ১৬ জনের বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন আদালত। সোমবার (৯ মার্চ) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত এই গুরুত্বপূর্ণ আদেশ দেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারি মো. রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

যাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন বেসিক ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক একেএম সাজেদুর রহমান, সাবেক এমডি অ্যান্ড সিইও কাজী ফখরুল ইসলাম, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলুস সোবহান, সাবেক মহাব্যবস্থাপক ও কোম্পানি সচিব শাহ আলম ভূইয়া, সাবেক পরিচালক জাহাঙ্গীর আখন্দ সেলিম, ফখরুল ইসলাম, শুভাশিষ বোস, নিলুফার আহমেদ, ড. কাজী আক্তার হোসাইন, আনোয়ারুল ইসলাম, গুলশান শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক সিপার আহমেদ, তাহমিনা ডেনিম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইয়াসির আহমেদ খান, চেয়ারম্যান কামাল জামান মোল্লা, পরিচালক কাজী রিজওয়ানা মোমিনুল হক এবং চীফ সার্ভেয়ার জসিম উদ্দিন চৌধুরী।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপসহকারি পরিচালক মোহাম্মদ শাহ জালাল তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতে আবেদন করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, পূর্বে ইয়াসির আহমেদ খান, কামাল জামান মোল্লা, কাজী রিজওয়ান মোমিনুল হক, শিপার আহমেদ, কাজী ফখরুল ইসলাম, ফজলুস সোবহান, কোরবান আলী, জসিম উদ্দিন চৌধুরী এবং শাহ আলম ভূইয়াদের বিদেশগমনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল, যার মেয়াদ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।

মামলার তদন্তে প্রাপ্ত রেকর্ডপত্র অনুযায়ী দেখা যায়, আসামিরা অসৎ উদ্দেশ্যে পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গের মাধ্যমে অন্যায়ভাবে নিজেদের লাভবান করতে বেসিক ব্যাংক লিমিটেডের গুলশান শাখা থেকে ৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে ২০২৩ সালের ১২ জুন মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করা হলেও, বিশেষ জজ আদালত-১ কিছু পর্যবেক্ষণসহ মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে ফেরত পাঠান। বর্তমানে এই মামলার অধিকতর তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিদ্যুৎকেন্দ্র সচল রাখতে সরকারের সহযোগিতা চাইলেন বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকরা

বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি: সাবেক চেয়ারম্যান বাচ্চুসহ ১৬ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি

আপডেট সময় : ০৬:২৮:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

বেসিক ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ ও দুর্নীতির মামলায় ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল হাই বাচ্চুসহ মোট ১৬ জনের বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন আদালত। সোমবার (৯ মার্চ) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত এই গুরুত্বপূর্ণ আদেশ দেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারি মো. রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

যাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন বেসিক ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক একেএম সাজেদুর রহমান, সাবেক এমডি অ্যান্ড সিইও কাজী ফখরুল ইসলাম, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলুস সোবহান, সাবেক মহাব্যবস্থাপক ও কোম্পানি সচিব শাহ আলম ভূইয়া, সাবেক পরিচালক জাহাঙ্গীর আখন্দ সেলিম, ফখরুল ইসলাম, শুভাশিষ বোস, নিলুফার আহমেদ, ড. কাজী আক্তার হোসাইন, আনোয়ারুল ইসলাম, গুলশান শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক সিপার আহমেদ, তাহমিনা ডেনিম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইয়াসির আহমেদ খান, চেয়ারম্যান কামাল জামান মোল্লা, পরিচালক কাজী রিজওয়ানা মোমিনুল হক এবং চীফ সার্ভেয়ার জসিম উদ্দিন চৌধুরী।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপসহকারি পরিচালক মোহাম্মদ শাহ জালাল তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতে আবেদন করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, পূর্বে ইয়াসির আহমেদ খান, কামাল জামান মোল্লা, কাজী রিজওয়ান মোমিনুল হক, শিপার আহমেদ, কাজী ফখরুল ইসলাম, ফজলুস সোবহান, কোরবান আলী, জসিম উদ্দিন চৌধুরী এবং শাহ আলম ভূইয়াদের বিদেশগমনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল, যার মেয়াদ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।

মামলার তদন্তে প্রাপ্ত রেকর্ডপত্র অনুযায়ী দেখা যায়, আসামিরা অসৎ উদ্দেশ্যে পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গের মাধ্যমে অন্যায়ভাবে নিজেদের লাভবান করতে বেসিক ব্যাংক লিমিটেডের গুলশান শাখা থেকে ৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে ২০২৩ সালের ১২ জুন মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করা হলেও, বিশেষ জজ আদালত-১ কিছু পর্যবেক্ষণসহ মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে ফেরত পাঠান। বর্তমানে এই মামলার অধিকতর তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।