ঢাকা ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

ইসরাইলের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য প্রকাশে গণমাধ্যমের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১২:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

ইসরাইলে চলমান যুদ্ধের আবহে দেশটির সামরিক কর্তৃপক্ষ গণমাধ্যমে হামলার স্থান ও ক্ষয়ক্ষতির তথ্য প্রকাশে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। জানা গেছে, ইসরাইলি সামরিক সেন্সর হামলার বিষয়ে কার্যত ‘তথ্য ব্ল্যাকআউট’ জারি করেছে।

আল জাজিরার একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান বা হিজবুল্লাহ কতগুলো ক্ষেপণাস্ত্র বা রকেট নিক্ষেপ করেছে এবং সেগুলো কোথায় আঘাত হেনেছে—এমন তথ্য প্রকাশে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, কোনো সাংবাদিক সম্প্রচারের সময় অতিরিক্ত তথ্য প্রকাশ করলে তাদের গ্রেপ্তারও করা হচ্ছে।

সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, তেল আবিবের কাছে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের আশেপাশে একটি এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত দুজন নিহত হয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, ইরান থেকে ছোড়া কিছু ক্ষেপণাস্ত্রে ক্লাস্টার ওয়ারহেড ব্যবহার করা হয়েছে। এই ধরনের ওয়ারহেড বিস্ফোরণের পর অনেকগুলো ছোট অংশে ছড়িয়ে পড়ে এবং বিস্তৃত এলাকায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি ঘটাতে পারে। হামলার পর লক্ষ্যবস্তু এলাকায় অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ রয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করতে জরুরি সেবা কর্মীদের দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশি চালাতে হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের পথে: ডোনাল্ড ট্রাম্পের আশাবাদ

ইসরাইলের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য প্রকাশে গণমাধ্যমের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ

আপডেট সময় : ০১:১২:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

ইসরাইলে চলমান যুদ্ধের আবহে দেশটির সামরিক কর্তৃপক্ষ গণমাধ্যমে হামলার স্থান ও ক্ষয়ক্ষতির তথ্য প্রকাশে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। জানা গেছে, ইসরাইলি সামরিক সেন্সর হামলার বিষয়ে কার্যত ‘তথ্য ব্ল্যাকআউট’ জারি করেছে।

আল জাজিরার একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান বা হিজবুল্লাহ কতগুলো ক্ষেপণাস্ত্র বা রকেট নিক্ষেপ করেছে এবং সেগুলো কোথায় আঘাত হেনেছে—এমন তথ্য প্রকাশে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, কোনো সাংবাদিক সম্প্রচারের সময় অতিরিক্ত তথ্য প্রকাশ করলে তাদের গ্রেপ্তারও করা হচ্ছে।

সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, তেল আবিবের কাছে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের আশেপাশে একটি এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত দুজন নিহত হয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, ইরান থেকে ছোড়া কিছু ক্ষেপণাস্ত্রে ক্লাস্টার ওয়ারহেড ব্যবহার করা হয়েছে। এই ধরনের ওয়ারহেড বিস্ফোরণের পর অনেকগুলো ছোট অংশে ছড়িয়ে পড়ে এবং বিস্তৃত এলাকায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি ঘটাতে পারে। হামলার পর লক্ষ্যবস্তু এলাকায় অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ রয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করতে জরুরি সেবা কর্মীদের দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশি চালাতে হচ্ছে।