ঢাকা ০৩:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

লোহিত সাগরে ফ্রান্সের দুটি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন: প্রেসিডেন্ট মাক্রোঁর ঘোষণা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক নৌ-নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি বিশেষ মিশনের অংশ হিসেবে লোহিত সাগরে দুটি যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে ফ্রান্স। ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁ সম্প্রতি এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়েছেন।

সাইপ্রাসের প্রেসিডেন্ট নিকোস খ্রিস্টোদুলিদেস এবং গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিতসোতাকিসের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর প্রেসিডেন্ট মাক্রোঁ এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো একটি সমন্বিত ও শক্তিশালী প্রতিরক্ষামূলক নৌ-মিশন প্রতিষ্ঠা করা, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

প্রেসিডেন্ট মাক্রোঁ আরও উল্লেখ করেন যে, এই প্রতিরক্ষামূলক এবং নিরাপত্তা-সহযোগিতামূলক মিশনটি ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর পাশাপাশি অন্যান্য অ-ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে নিবিড় সমন্বয় ও সহযোগিতার মাধ্যমে গড়ে তোলা হবে। এর মাধ্যমে লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক নৌচলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যেকোনো ধরনের হুমকি মোকাবেলায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিদ্যুৎকেন্দ্র সচল রাখতে সরকারের সহযোগিতা চাইলেন বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকরা

লোহিত সাগরে ফ্রান্সের দুটি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন: প্রেসিডেন্ট মাক্রোঁর ঘোষণা

আপডেট সময় : ১২:১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

আন্তর্জাতিক নৌ-নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি বিশেষ মিশনের অংশ হিসেবে লোহিত সাগরে দুটি যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে ফ্রান্স। ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁ সম্প্রতি এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়েছেন।

সাইপ্রাসের প্রেসিডেন্ট নিকোস খ্রিস্টোদুলিদেস এবং গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিতসোতাকিসের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর প্রেসিডেন্ট মাক্রোঁ এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো একটি সমন্বিত ও শক্তিশালী প্রতিরক্ষামূলক নৌ-মিশন প্রতিষ্ঠা করা, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

প্রেসিডেন্ট মাক্রোঁ আরও উল্লেখ করেন যে, এই প্রতিরক্ষামূলক এবং নিরাপত্তা-সহযোগিতামূলক মিশনটি ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর পাশাপাশি অন্যান্য অ-ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে নিবিড় সমন্বয় ও সহযোগিতার মাধ্যমে গড়ে তোলা হবে। এর মাধ্যমে লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক নৌচলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যেকোনো ধরনের হুমকি মোকাবেলায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।