ঢাকা ওয়াসার অপসারিত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আব্দুস সালাম ব্যাপারীর বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থপাচারের অভিযোগ তদন্তে নেমেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। রোববার (৮ মার্চ) সিআইডির পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, অবৈধ প্রক্রিয়ায় অর্জিত অর্থ বিদেশে পাচার করে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে বিপুল সম্পদ গড়ার অভিযোগে এই অনুসন্ধান শুরু হয়েছে।
সিআইডির প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯১ সালে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে ঢাকা ওয়াসায় যোগ দেওয়া আব্দুস সালাম ব্যাপারী দীর্ঘ কর্মজীবনে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিপুল সম্পদ অর্জন করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি তাঁর নিজের, স্ত্রী মাহবুবুন্নেছা এবং বিভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে বিদেশে স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ গড়ে তুলেছেন।
বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০১৮ সালের ২৮ মার্চ তিনি কানাডার টরন্টো শহরে নিজের ও স্ত্রীর নামে একটি বাড়ি কেনেন। স্থানীয় ভূমি নিবন্ধন অফিসের তথ্য অনুযায়ী, বাড়িটির বর্তমান বাজারমূল্য বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২০ কোটি টাকা। গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য এবং সিআইডির নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই মানিলন্ডারিং অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান জানিয়েছেন, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা, ২০১৯ অনুযায়ী এই অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। আব্দুস সালাম ব্যাপারীর অবৈধ আয়ের উৎস এবং সেই টাকা বিদেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ওয়াসার এমডি হিসেবে থাকাকালীন বিভিন্ন প্রকল্পের অনিয়ম এবং সেই অর্থের গন্তব্য খুঁজে বের করাই এখন গোয়েন্দাদের মূল লক্ষ্য।
রিপোর্টারের নাম 
























