ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কাজা কালাস ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইসরায়েলের আচরণকে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী শাসনব্যবস্থার সঙ্গে তুলনা করেছেন। একটি ইউরোপীয় সংবাদমাধ্যম ইউরাকটিভের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্যক্তিগত আলোচনায় তিনি এই মন্তব্য করেন, যা তার প্রকাশ্য অবস্থান এবং পর্দার আড়ালের মন্তব্যের মধ্যে একটি স্পষ্ট পার্থক্য তুলে ধরেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২০ থেকে ২২ মে মেক্সিকো সফরে একটি উচ্চপর্যায়ের ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন কাজা কালাস। সেসময় কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক গোপন বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন। বৈঠকে উপস্থিত কর্মকর্তা ও কূটনীতিকদের বরাত দিয়ে ইউরাকটিভ জানায়, কালাস গত বছর দক্ষিণ আফ্রিকা সফরকালে বর্ণবাদ জাদুঘর পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছিলেন। সেই অভিজ্ঞতার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি গাজা ও অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণকে দক্ষিণ আফ্রিকায় ১৯৪৮ সাল থেকে ১৯৯০-এর দশকের শুরু পর্যন্ত চালু থাকা বর্ণভিত্তিক বৈষম্যের সঙ্গে তুলনা করেন।
উল্লেখ্য, এই তুলনা নতুন কিছু নয়। এর আগেও জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা, গবেষক ও আইনি বিশেষজ্ঞরা ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের আধিপত্যকে ‘অ্যাপারথেইড’ বা বর্ণবাদী ব্যবস্থার সঙ্গে তুলনা করেছেন। এমনকি আয়ারল্যান্ড ও স্পেনও অতীতে মন্তব্য করেছে যে অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলের কর্মকাণ্ড বর্ণবাদের শামিল।
রিপোর্টারের নাম 






















