এক দুর্দান্ত প্রথমার্ধের পর দ্বিতীয় অর্ধে কিছুটা ছন্দপতন হলেও, শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলের সমতায় শেষ হয়েছে ব্রাজিল ও মরক্কোর মধ্যকার ম্যাচ। খেলার প্রথমার্ধে দুই দলের আক্রমণাত্মক কৌশল, বল দখলের তীব্র লড়াই এবং চোখ ধাঁধানো দুটি গোল দর্শকদের মাতিয়ে রেখেছিল। যেন চলতি বিশ্বকাপের সেরা মুহূর্তগুলোর এক ঝলক দেখা গেল। তবে দ্বিতীয় অর্ধে উভয় দলই সাবধানী হয়ে ওঠে, যেখানে গোল করার চেয়ে গোল হজম না করার দিকেই বেশি মনোযোগ ছিল।
এই ম্যাচে কোনো দলই জয় না পেলেও, মরক্কোর পারফরম্যান্স ছিল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তাদের খেলা দেখে এটা স্পষ্ট যে, চার বছর আগে কাতার বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে ওঠা কোনো কাকতালীয় ঘটনা ছিল না। এই বিশ্বকাপেও আফ্রিকান দলটি যে নৈপুণ্য দেখিয়েছে, তাতে তাদের এবারও শেষ চারের অন্যতম দাবিদার হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে।
ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল গোলের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ে। বল দখলে রাখার তাগিদে খেলোয়াড়রা পুরো মাঠ জুড়ে দৌড়ায়। প্রথম ১৫ মিনিট মরক্কোর আক্রমণাত্মক খেলা দেখে মনে হচ্ছিল ব্রাজিল হয়তো এমন তীব্রতার জন্য প্রস্তুত ছিল না। অবশ্য ব্রাজিলেরই প্রথম গোল করার সুযোগ আসে ১৪ মিনিটের মাথায়, যখন বাম দিক থেকে আসা বলে থিয়াগো মাথা ছোঁয়াতে ব্যর্থ হন, যা নিশ্চিত গোলে পরিণত হতে পারত।
তবে, গতি, পাসিং এবং সুপরিকল্পিত আক্রমণে মরক্কো শুরু থেকেই দাপট দেখায়। ব্রাজিল মিডফিল্ডারদের ভুলের সুযোগ নিয়ে তারা গোলও পেয়ে যায়। মাঝমাঠ থেকে দিয়াজের দারুণ থ্রু বল পান ইসমাইল সাইবারি। তিনি ব্রাজিলের দুই খেলোয়াড়ের মাঝখান দিয়ে বল নিয়ে দৌড়ে তাদের পেছনে ফেলে দেন। বিপদ দেখে গোলরক্ষক অ্যালিসন পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে আসেন, আর ঠিক তখনই সাইবারি অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার সাথে অ্যালিসনের মাথার ওপর দিয়ে চিপ শটে বল ভাসিয়ে ফাঁকা জালে জড়িয়ে দেন। গোলের পরেও মরক্কো তাদের আক্রমণের ধার বজায় রাখে এবং ম্যাচের ৩০ মিনিটের মধ্যেই ১২টি শট নেয়।
রিপোর্টারের নাম 



















