ঢাকা ০৯:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

ভিনিসিয়াসের গোলে হার এড়িয়ে মরক্কোর সাথে ব্রাজিলের ড্র

রোমাঞ্চকর এক ম্যাচে মরক্কোর সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে ফুটবল পরাশক্তি ব্রাজিল। প্রথমার্ধ ছিল গতি, আক্রমণাত্মক ফুটবল এবং দুটি দুর্দান্ত গোলে ভরপুর, যা বিশ্বকাপের এক ঝলমলে স্লাইড শোর মতো মনে হচ্ছিল। তবে দ্বিতীয় অর্ধে উভয় দলই নিজেদের খেলা অনেকটাই গুটিয়ে নেয়, যার ফলে গোল করার চেয়ে গোল না খাওয়ার প্রবণতাই বেশি দেখা যায়।

ম্যাচ শেষে স্কোরলাইন ১-১ হলেও, সামগ্রিক পারফরম্যান্সের বিচারে মরক্কোকেই এগিয়ে রাখছেন অনেকে। কাতার বিশ্বকাপে তাদের সেমিফাইনাল খেলা যে কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না, তা এই ম্যাচে তাদের দাপুটে ফুটবল প্রমাণ করে দিয়েছে। এই বিশ্বকাপেও আফ্রিকান দেশটি যে পারফরম্যান্স দেখিয়েছে, তাতে তাদের আবারও শেষ চারের অন্যতম দাবিদার মনে হচ্ছে।

খেলার শুরু থেকেই উভয় দল গোলের জন্য মরিয়া ছিল। বল দখলের লড়াইয়ে পুরো মাঠ জুড়েই খেলোয়াড়দের দৌড়াদৌড়ি দেখা যায়। প্রথম ১৫ মিনিটে মরক্কোর ঝোড়ো ফুটবল দেখে মনে হচ্ছিল ব্রাজিল হয়তো এমন ধাঁচের খেলার জন্য প্রস্তুত ছিল না। অবশ্য গোলের প্রথম সুযোগটি তৈরি করে ব্রাজিলই। ১৪ মিনিটের মাথায় বাম দিক থেকে উড়ে আসা বলে থিয়াগো মাথা ছোঁয়াতে ব্যর্থ হন, যা নিশ্চিত গোল হতে পারত।

তবে, গতি, পাসিং এবং পরিকল্পনায় মরক্কো শুরু থেকেই দাপট দেখায়। ব্রাজিল মিডফিল্ডারদের ভুলে তারা গোলও পেয়ে যায়। মাঝমাঠ থেকে দিয়াজের চমৎকার থ্রু বল পান ইসমাইল সাইবারি। ব্রাজিলের দুই খেলোয়াড়ের মাঝখান দিয়ে বল নিয়ে দৌড়ে তিনি তাদের পেছনে ফেলেন। বিপদ দেখে গোলরক্ষক অ্যালিসন পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। ঠিক তখনই সাইবারি বুদ্ধিমত্তার সাথে অ্যালিসনের মাথার ওপর দিয়ে চিপ শটে বল ভাসিয়ে ফাঁকা জালে জড়িয়ে দেন। গোলের পরও মরক্কো তাদের আক্রমণের ধার ধরে রাখে এবং ম্যাচের ৩০ মিনিটের মধ্যেই ১২টি শট নেয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক সইয়ের দ্বারপ্রান্তে

ভিনিসিয়াসের গোলে হার এড়িয়ে মরক্কোর সাথে ব্রাজিলের ড্র

আপডেট সময় : ০৭:৩৪:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

রোমাঞ্চকর এক ম্যাচে মরক্কোর সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে ফুটবল পরাশক্তি ব্রাজিল। প্রথমার্ধ ছিল গতি, আক্রমণাত্মক ফুটবল এবং দুটি দুর্দান্ত গোলে ভরপুর, যা বিশ্বকাপের এক ঝলমলে স্লাইড শোর মতো মনে হচ্ছিল। তবে দ্বিতীয় অর্ধে উভয় দলই নিজেদের খেলা অনেকটাই গুটিয়ে নেয়, যার ফলে গোল করার চেয়ে গোল না খাওয়ার প্রবণতাই বেশি দেখা যায়।

ম্যাচ শেষে স্কোরলাইন ১-১ হলেও, সামগ্রিক পারফরম্যান্সের বিচারে মরক্কোকেই এগিয়ে রাখছেন অনেকে। কাতার বিশ্বকাপে তাদের সেমিফাইনাল খেলা যে কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না, তা এই ম্যাচে তাদের দাপুটে ফুটবল প্রমাণ করে দিয়েছে। এই বিশ্বকাপেও আফ্রিকান দেশটি যে পারফরম্যান্স দেখিয়েছে, তাতে তাদের আবারও শেষ চারের অন্যতম দাবিদার মনে হচ্ছে।

খেলার শুরু থেকেই উভয় দল গোলের জন্য মরিয়া ছিল। বল দখলের লড়াইয়ে পুরো মাঠ জুড়েই খেলোয়াড়দের দৌড়াদৌড়ি দেখা যায়। প্রথম ১৫ মিনিটে মরক্কোর ঝোড়ো ফুটবল দেখে মনে হচ্ছিল ব্রাজিল হয়তো এমন ধাঁচের খেলার জন্য প্রস্তুত ছিল না। অবশ্য গোলের প্রথম সুযোগটি তৈরি করে ব্রাজিলই। ১৪ মিনিটের মাথায় বাম দিক থেকে উড়ে আসা বলে থিয়াগো মাথা ছোঁয়াতে ব্যর্থ হন, যা নিশ্চিত গোল হতে পারত।

তবে, গতি, পাসিং এবং পরিকল্পনায় মরক্কো শুরু থেকেই দাপট দেখায়। ব্রাজিল মিডফিল্ডারদের ভুলে তারা গোলও পেয়ে যায়। মাঝমাঠ থেকে দিয়াজের চমৎকার থ্রু বল পান ইসমাইল সাইবারি। ব্রাজিলের দুই খেলোয়াড়ের মাঝখান দিয়ে বল নিয়ে দৌড়ে তিনি তাদের পেছনে ফেলেন। বিপদ দেখে গোলরক্ষক অ্যালিসন পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। ঠিক তখনই সাইবারি বুদ্ধিমত্তার সাথে অ্যালিসনের মাথার ওপর দিয়ে চিপ শটে বল ভাসিয়ে ফাঁকা জালে জড়িয়ে দেন। গোলের পরও মরক্কো তাদের আক্রমণের ধার ধরে রাখে এবং ম্যাচের ৩০ মিনিটের মধ্যেই ১২টি শট নেয়।