বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বারবার দেখা গেছে, যখনই অভ্যন্তরীণ বিভাজন মাথাচাড়া দিয়েছে, তখনই গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ হয়েছে এবং কর্তৃত্ববাদী শক্তি নতুন রূপে ফিরে এসেছে। দীর্ঘ দমন-পীড়নের পর যখন মুক্ত পরিবেশে আলোচনার সুযোগ এসেছে, তখন সবচেয়ে জরুরি হলো অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া। নিজেদের মধ্যে বিভেদ যেন মূল গণতান্ত্রিক লক্ষ্যকে আড়াল করে না ফেলে, এই সতর্কবার্তা আজ সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবি।
দেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে কিছু রাজনৈতিক পদক্ষেপের সুদূরপ্রসারী প্রভাব দেখা গেছে। ১৯৭৫ সালের পট পরিবর্তনের পর যখন বাকশাল ব্যবস্থা বিলুপ্ত হয়, তখন সামরিক শাসক হিসেবে আবির্ভূত হন তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান। অনেকেই তাকে গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধারকারী হিসেবে দেখেছিলেন। তবে তার কিছু উদারনৈতিক পদক্ষেপের পরিণতি নিয়ে পরবর্তীতে প্রশ্ন উঠেছে, যা তার নিজের জীবন দিয়েও শোধ করতে হয়েছে বলে অনেকে মনে করেন। বিশেষ করে, তার শাসনামলে রাজনৈতিক অঙ্গনে যে নতুন ধারা শুরু হয়, তার অভিঘাত আজও আলোচনা হয়।
পরবর্তীকালে, ১৯৯০-এর দশকে গণতান্ত্রিক উত্তরণের প্রেক্ষাপটে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। তৎকালীন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াতে ইসলামীর কিছু কৌশলগত পদক্ষেপের কারণে ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২১ বছর পর ক্ষমতায় ফিরে আসে। এই ফিরে আসার দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা মত প্রচলিত আছে। বিশেষ করে, ২০০৯ সাল থেকে শুরু হওয়া দীর্ঘ শাসনামলে তাদের সঙ্গে জোটবদ্ধ থাকা বা সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করা অনেক জামায়াত নেতার বিচার ও দণ্ড কার্যকর হয়, যা রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ক্ষমতা ভাগাভাগির খেলায় এমন অপ্রত্যাশিত পরিণতি অতীতেও দেখা গেছে।
দীর্ঘ এক শাসনামলে, বিশেষ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলো ব্যাপক দমন-পীড়নের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে গুম, খুন, কারাবন্দিত্ব ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে বলে দাবি করা হয়। জামায়াতের ছয়জন শীর্ষ নেতাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং বিএনপির একজন শীর্ষ নেতাকেও একই ধরনের পরিণতির শিকার হতে হয়েছে। এসব বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, অনেকে এটিকে পরিকল্পিত রাজনৈতিক দমন হিসেবে অভিহিত করেছেন।
বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রতীক হিসেবে পরিচিত বেগম খালেদা জিয়াকে তার জীবনের শেষ গুরুত্বপূর্ণ বছরগুলো নিঃসঙ্গ কারাবন্দী অবস্থায় কাটাতে হয়েছে। গুরুতর অসুস্থতা সত্ত্বেও তাকে দীর্ঘ সময় কারাভোগ করতে হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এটিকে শুধু একজন নেত্রীর প্রতি নিষ্ঠুরতা নয়, বরং একটি বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তিকে মানসিকভাবে দুর্বল করার রাষ্ট্রীয় কৌশল হিসেবে দেখেছেন।
বিএনপির বর্তমান চেয়ারপারসন তারেক রহমানও এক-এগারোর সময়কার রাজনৈতিক দমন-পীড়নের শিকার হন। সেসময় তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে চরম নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে, যার ফলস্বরূপ তাকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করা হয়। এই এক-এগারোকে অনেকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখেন না; বরং তৎকালীন সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ক্ষমতা গ্রহণকে অনেকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করার চেষ্টা করেছেন। কেউ কেউ এটিকে তাদের ‘ব্রেইন-চাইল্ড’ হিসেবে দাবি করেছেন, আবার কেউ এটিকে ‘আন্দোলনের ফসল’ বলে অভিহিত করেছেন। এই অগণতান্ত্রিক হস্তক্ষেপের পথ ধরেই ২০০৮ সালের নির্বাচনে একটি ভূমিধস বিজয় আসে, যা পরবর্তীতে দীর্ঘ একদলীয় শাসনের ভিত্তি স্থাপন করে। এই সময়ে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, প্রশাসন, নির্বাচন ব্যবস্থা ও বিচার বিভাগ একটি নির্দিষ্ট দলের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে বলে অভিযোগ ওঠে।
২০০৮ সালের নির্বাচনকে ঘিরেও রাজনৈতিক মহলে গভীর পর্যালোচনা ও আত্মসমালোচনা জরুরি। সেই সময়ে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে সন্দিহান ছিলেন বলে জানা যায়। তবে জামায়াতে ইসলামীর তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক সহ অন্যান্যদের পক্ষ থেকে প্রবল চাপ ছিল, কারণ তাদের আশঙ্কা ছিল যে বিরোধী দলের অনুপস্থিতিতে ক্ষমতাসীন জোট সংবিধান সংশোধন করতে পারবে। বেগম জিয়া তখন এক মন্তব্যে বলেছিলেন যে, এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচনে অংশ নিলে বিএনপি ৫০টি আসন এবং জামায়াত মাত্র দুটি আসন পেতে পারে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, যদি সেদিন বেগম জিয়ার দূরদর্শিতাকে গুরুত্ব দেওয়া হতো, তাহলে হয়তো পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারতো এবং দেশের দীর্ঘমেয়াদী রাজনৈতিক সংকট এড়ানো যেতো।
এই ঘটনাপ্রবাহ থেকে বোঝা যায়, এমনকি অভিজ্ঞ ও প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল বা নেতৃত্বও ভুল সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারে। এই প্রেক্ষাপটে, বেগম খালেদা জিয়ার মতো একজন স্বশিক্ষিত নেত্রীর পর্যবেক্ষণও যে কত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, তা ইতিহাসের এই অধ্যায় থেকে স্পষ্ট হয়।
বেগম খালেদা জিয়া তার রাজনৈতিক জীবনে এমন কিছু পদক্ষেপ ও মন্তব্য করেছেন, যা তাকে জাতীয় ঐক্যের প্রতীকে পরিণত করেছে। তার একটি বহুল প্রচলিত সতর্কবার্তা ছিল যে, ‘সাপকে বিশ্বাস করা গেলেও আওয়ামী লীগকে বিশ্বাস করা যায় না।’ রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, তার এই সতর্কবাণী উপেক্ষা করলে জাতি আবারও বড় ধরনের ভুল করতে পারে। তাকে শুধু একটি দলের নেত্রী হিসেবে না দেখে, জাতির সম্পদ হিসেবে তার অবদান ও আদর্শকে ধারণ করা এবং তার স্মৃতিকে জাগিয়ে রাখা প্রয়োজন।
এই প্রেক্ষাপটে, দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরের নামকরণ ‘বেগম খালেদা জিয়া পোর্ট’ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে রাষ্ট্র ও জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী নেতাদের সম্মানে বিভিন্ন দেশে সমুদ্রবন্দরের নামকরণ করা হয়। যেমন, ভারতের জওহরলাল নেহেরু পোর্ট, ইরানের ইমাম খোমেনি পোর্ট, মিসরের পোর্ট সাইদ, পাকিস্তানের পোর্ট কাসিম, মরিশাসের পোর্ট লুই এবং দক্ষিণ আফ্রিকার পোর্ট এলিজাবেথ। এই আন্তর্জাতিক নজির অনুসরণ করে বাংলাদেশের প্রধান বন্দরের নামকরণ বেগম খালেদা জিয়ার নামে করা হলে তা বৈশ্বিক রীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে এবং জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে এই নেত্রীর প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করবে বলে প্রস্তাবকারীরা মনে করেন।
দেশের সামনে বর্তমানে দুটি বড় ঝুঁকি বিদ্যমান। এর একটি পরিবেশগত, যেমন বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়া এবং সুপেয় পানির সংকট। অন্যটি রাজনৈতিক ঝুঁকি, যা হলো অতীতে দেখা যাওয়া একদলীয় শাসন ব্যবস্থার পুনরাবৃত্তি। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, দেশের সিংহভাগ জনগণ এই ধরনের পুনরাবৃত্তি প্রতিরোধে বদ্ধপরিকর। একটি জাহাজের মতো, বর্তমান গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকেই দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো, যেমন বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি এবং অন্যান্য সমমনা শক্তি তাদের ‘লাইফবোট’ হিসেবে দেখে। তাদের মতে, এটি কেবল একটি রাজনৈতিক অবস্থান নয়, বরং রাষ্ট্রের অস্তিত্ব ও ভবিষ্যতের সঙ্গে জড়িত একটি মৌলিক প্রশ্ন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের মতে, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল দেশের নিজস্ব স্বার্থের চেয়ে কখনো কখনো আঞ্চলিক বা অন্য কোনো বিশেষ স্বার্থ রক্ষায় বেশি মনোযোগী ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে, তাদের সাধারণ অনুসারীদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ধীরে ধীরে অন্যান্য গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক শক্তির দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে মনে করা হয়। গত নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াত উভয়ই এই ভোটব্যাংককে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করায় তাদের মধ্যে কিছুটা রাজনৈতিক টানাপোড়েন দেখা গিয়েছিল। সেসময় অনেকের আশঙ্কা ছিল যে, কোনো অশুভ শক্তি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের সংঘাত সৃষ্টি করতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত ঘটেনি।
এই দমন-পীড়নের আরেকটি বেদনাদায়ক অধ্যায় ছিল বিরোধী রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের নির্বাসন। বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী নিজ এলাকা বা রাজধানী ঢাকায় থাকতে না পেরে অন্য এলাকায় আত্মগোপন করেন কিংবা বিদেশে পাড়ি জমাতে বাধ্য হন। মালয়েশিয়া ছিল তাদের অন্যতম আশ্রয়স্থল। কলামিস্ট হিসেবে লেখক তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে তুলে ধরেছেন, কীভাবে তিনি সিঙ্গাপুর থেকে কুয়ালালামপুরে গিয়ে নির্বাসিত অনেক পরিচিত মুখের সঙ্গে দেখা করতেন। এদের মধ্যে ছিলেন ‘আমার দেশ’ সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান, বিএনপি নেতা ড. এহসানুল হক মিলন, কায়কোবাদ, কাইয়ূম এবং তারেক রহমানকে খালাস দিয়ে ‘অপরাধী’ হিসেবে দেশ ছাড়তে বাধ্য হওয়া বিচারক মোতাহার হোসেন। লেখক বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন ড. এহসানুল হক মিলনের কথা, যিনি নির্বাসনের সময়টিকে জ্ঞানচর্চায় ব্যয় করে মালয়েশিয়ার ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি শুরু করেন। ড. মাহমুদুর রহমানও একই পথে হেঁটেছেন। রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের মধ্যেও তাদের জ্ঞানচর্চা ছিল এক নীরব প্রতিবাদের দৃষ্টান্ত। শিক্ষা আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত থেকে যিনি নকলের অভিশাপ দূর করতে চেয়েছিলেন, তার বিরুদ্ধে ঘড়ি চুরির মতো মামলার অভিযোগ আনা হয়েছিল, যা অনেককে ব্যথিত করেছে।
নির্বাসিত জীবনে ড. মিলনসহ অন্যান্যদের সঙ্গে লেখকের ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণায় উঠে এসেছে তাদের দেশপ্রেম ও ভবিষ্যৎ স্বপ্ন। বিশেষ করে, ড. এহসানুল হক মিলন ও কায়কোবাদ বর্তমান সরকারে যুক্ত হয়েছেন, অন্যদিকে মঞ্জু ভাইয়ের দল (এবি পার্টি) এবং তার পূর্ববর্তী দল (জামায়াতে ইসলামী) বিরোধী দলের আসনে রয়েছে। লেখক আশা করেন, এই সুখ-দুঃখের স্মৃতিগুলো রাজনৈতিক বিভাজন ছাপিয়ে তাদের একটি অভিন্ন সূত্রে বেঁধে রাখবে, যা প্রিয় জন্মভূমির জন্য অত্যন্ত জরুরি। কারণ, এই সুতার বাঁধনের মধ্যেই তারা একে অপরের প্রতিপক্ষ হলেও শত্রু নন। বর্তমানে যখন বিএনপি সরকার গঠন করেছে এবং অন্য দলগুলো বিরোধী দলে রয়েছে, তখন গণতন্ত্রের এই স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে সুস্থ ধারায় এগিয়ে নিয়ে যাওয়া আবশ্যক। তবে এই অবস্থানকে কেন্দ্র করে যদি বিভেদ ও তিক্ততা এমন পর্যায়ে পৌঁছায়, যা অতীতের একদলীয় শাসনের পুনরাবৃত্তির পথ তৈরি করে, তবে তা হবে জাতির প্রতি এক গুরুতর ভুল।
একটি দায়িত্বশীল সরকার যেমন অপরিহার্য, তেমনি একটি শক্তিশালী ও গঠনমূলক বিরোধী দলও গণতন্ত্রের জন্য সমান জরুরি। সরকার যখন জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে চলে যায়, তখন গণতন্ত্র দুর্বল হয়; আবার বিরোধী দল দায়িত্বহীন হলে রাষ্ট্র অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে। এই ভারসাম্য বজায় রাখাই বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
এই প্রেক্ষাপটে, তারেক রহমানের সাম্প্রতিক কিছু রাজনৈতিক পদক্ষেপকে অনেকে আশাব্যঞ্জক হিসেবে দেখছেন। সংলাপের ভাষা, প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসার ইঙ্গিত এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্রচিন্তা—এসবই ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করে।
সর্বোপরি, আজ সবচেয়ে জরুরি হলো মূল গণতান্ত্রিক লক্ষ্যকে ভুলে না যাওয়া। রাজনৈতিক বিভেদ যত বাড়বে, একদলীয় শাসনের পুনরাবৃত্তির আশঙ্কাও তত দীর্ঘ হবে। ইতিহাস আমাদের সামনে সুস্পষ্টভাবে লেখা আছে। সেই ইতিহাস থেকে শিক্ষা না নিলে একই ভুলের পুনরাবৃত্তি হতে পারে, যার মাশুল দিতে হবে সমগ্র জাতিকে। বিভেদের পরিবর্তে ঐক্যের প্রজ্ঞাই পারে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎকে সুরক্ষিত রাখতে।
রিপোর্টারের নাম 

























