বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ২০২৬ সেশনের নবগঠিত কেন্দ্রীয় সেক্রেটারিয়েট ও কার্যকরী পরিষদে স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) শাখার দুই নেতা। কেন্দ্রীয় গবেষণা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বাকৃবি শাখা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মো. ফখরুল ইসলাম। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য মনোনীত হয়েছেন বাকৃবি শাখা ছাত্রশিবিরের বর্তমান সভাপতি আবু নাছির ত্বোহা।
ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার রাতে নতুন কমিটির তালিকা প্রকাশ করা হয়। এই কমিটিতে ৩০ সদস্যের সেক্রেটারিয়েট এবং ৬২ জনকে কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
নবনিযুক্ত কেন্দ্রীয় গবেষণা সম্পাদক মো. ফখরুল ইসলাম এর আগে ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত বাকৃবি শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের জুলাই মাস থেকে তিনি কেন্দ্রীয় গবেষণা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন, যা নতুন কমিটিতেও বহাল থাকলো।
অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য আবু নাছির ত্বোহা ২০২৫ সালের জুলাই মাস থেকে বাকৃবি শাখা সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এর পূর্বে তিনি এক বছর বাকৃবি শাখার সেক্রেটারি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
নিজের নতুন দায়িত্ব প্রসঙ্গে মো. ফখরুল ইসলাম বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ। দায়িত্ব আমাদের কাছে আনন্দের বিষয় নয়, বরং এটি একটি আমানত। আমরা বিশ্বাস করি, আখেরাতে আল্লাহর কাছে এই দায়িত্বের ব্যাপারে জবাবদিহিতা করতে হবে। আমি আল্লাহর কাছে সাহায্য চাই যেন এই দায়িত্ব পালন করা আমার জন্য সহজ হয়। দেশ ও ইসলামের স্বার্থে নতুন নতুন গবেষণামূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণের জন্য পরিকল্পনা ও কাজ করবো, ইনশা আল্লাহ।”
আবু নাছির ত্বোহা তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গর্বের যে বাকৃবি থেকে কেন্দ্রীয় দায়িত্ব পালনের সুযোগ হয়েছে। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রতিটি সদস্য আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কাজ করেন। কেন্দ্রীয় যেকোনো সিদ্ধান্ত ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে পরামর্শ প্রদানে আমি সচেষ্ট থাকবো, ইনশা আল্লাহ।” তিনি আরও যোগ করেন, “বাকৃবির প্রতিটি শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, অধিকার ও সম্ভাবনাই আমাদের অঙ্গীকার। আমি বিশ্বাস করি, শিক্ষার্থীদের ঐক্য ও চারিত্রিক শক্তিই পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি। তাই বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি)-এর অধিকার আদায় থেকে শুরু করে দেশের কৃষি অঙ্গনের অগ্রযাত্রায় ভূমিকা রাখার জন্য আমরা সচেষ্ট থাকবো, ইনশা আল্লাহ।”
রিপোর্টারের নাম 





















