বাংলাদেশ ব্যাংকে সাম্প্রতিক প্রশাসনিক রদবদল, কর্মকর্তাদের বদলি এবং শোকজ নোটিশকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট অস্থিরতার পেছনে একটি ‘কুচক্রী মহলের ইন্ধন’ রয়েছে বলে দাবি করেছেন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। তিনি বলেছেন, এটি কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থের বিষয় নয়, বরং প্রতিষ্ঠান এবং দেশের সামগ্রিক আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা রক্ষায় নেওয়া সরকারি পদক্ষেপকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা। গভর্নর জোর দিয়ে বলেন, সীমিত সংখ্যক কর্মকর্তাকে ব্যবহার করে এই মহলটি সরকারি নীতিগত সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করার চেষ্টা করছে।
বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান। এ সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দুই ডেপুটি গভর্নর এবং নির্বাহী পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।
গভর্নর আহসান এইচ মনসুর ব্যাখ্যা করেন, সাতটি ব্যাংকের মধ্যে পাঁচটি ব্যাংক একীভূতকরণ এবং তাদের সহায়তা কর্মসূচি কোনো স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের বিষয় নয়। এটি সম্পূর্ণভাবে সরকারি নীতির অংশ। তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রায় ৭৬ লাখ আমানতকারীর স্বার্থ রক্ষায় সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক সম্মিলিতভাবে ৩২ হাজার কোটি টাকার সহায়তা দিয়েছে। এর মধ্যে সরকার থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপোজিট ইন্স্যুরেন্স ফান্ড থেকে ১২ হাজার কোটি টাকা যোগান দেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, গত দুই বছর ধরে কিছু ব্যাংকের আমানতকারীরা নিয়মিত তাদের অর্থ তুলতে পারছিলেন না। ধাপে ধাপে অর্থ ছাড়ের মাধ্যমে এই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। এছাড়াও, একাধিক ব্যাংকে ইকুইটি সাপোর্ট এবং রপ্তানিকারকদের জন্য বিশেষ তহবিল সহায়তার কথাও তিনি তুলে ধরেন। গভর্নরের দাবি, এসব সময়োপযোগী পদক্ষেপের ফলেই দেশের আর্থিক খাতে স্থিতিশীলতা ফিরতে শুরু করেছে।
রিপোর্টারের নাম 
























