ঢাকা ০২:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফিতরা নির্ধারণ: সর্বনিম্ন ১১০, সর্বোচ্চ ২৮০৫ টাকা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২৫:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৪৪৭ হিজরি সনের সাদাকাতুল ফিতরের হার নির্ধারণ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। এবার জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮০৫ টাকা ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার সকালে বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক।

সভায় সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী আটা, যব, কিসমিস, খেজুর ও পনির—এসব পণ্যের যেকোনো একটি দ্বারা ফিতরা আদায় করা যাবে। পণ্যগুলোর বাজার মূল্যের ভিত্তিতে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে:

আটা: অর্ধ সা’ বা ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম আটার বাজার মূল্য হিসেবে সর্বনিম্ন ১১০ টাকা ফিতরা দেওয়া যাবে।
যব: এক সা’ বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম যবের বাজার মূল্য ৫৯৫ টাকা।
খেজুর: এক সা’ বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম খেজুরের বাজার মূল্য ২৪৭৫ টাকা।
কিসমিস: এক সা’ বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম কিসমিসের বাজার মূল্য ২৬৪০ টাকা।
পনির: এক সা’ বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম পনিরের বাজার মূল্য হিসেবে সর্বোচ্চ ২৮০৫ টাকা ফিতরা দিতে হবে।

দেশের সব বিভাগ থেকে সংগৃহীত আটা, যব, খেজুর, কিসমিস ও পনিরের স্থানীয় বাজার মূল্যের ওপর ভিত্তি করে এবারের ফিতরার এই হার নির্ধারণ করা হয়েছে। মুসলমানরা নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী উল্লিখিত পণ্যগুলোর যেকোনো একটি বা তার বাজার মূল্য দিয়ে সাদাকাতুল ফিতর আদায় করতে পারবেন। উল্লেখ্য, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এসব পণ্যের স্থানীয় খুচরা বাজার মূল্যের তারতম্য রয়েছে। সে অনুযায়ী স্থানীয় মূল্যে পরিশোধ করলেও ফিতরা আদায় হবে।

সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বোর্ড অব গভর্নরস সদস্য মাওলানা মাহফুজুল হক, দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, মুহাদ্দিস ড. ওয়ালিয়ুর রহমান খান, মুফাসসির ড. মাওলানা মোঃ আবু সালেহ পাটোয়ারী, কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া কামিল মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা আবুল কাশেম মোঃ ফজলুল হক, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, পেশ ইমাম মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী এবং রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মহিউদ্দিনসহ দেশের বিশিষ্ট আলেম ও ওলামাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজনগরে ক্রিকেট খেলা নিয়ে বিরোধ: ছুরিকাঘাতে হিফজ বিভাগের ছাত্র নিহত

ফিতরা নির্ধারণ: সর্বনিম্ন ১১০, সর্বোচ্চ ২৮০৫ টাকা

আপডেট সময় : ০১:২৫:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৪৪৭ হিজরি সনের সাদাকাতুল ফিতরের হার নির্ধারণ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। এবার জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮০৫ টাকা ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার সকালে বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক।

সভায় সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী আটা, যব, কিসমিস, খেজুর ও পনির—এসব পণ্যের যেকোনো একটি দ্বারা ফিতরা আদায় করা যাবে। পণ্যগুলোর বাজার মূল্যের ভিত্তিতে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে:

আটা: অর্ধ সা’ বা ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম আটার বাজার মূল্য হিসেবে সর্বনিম্ন ১১০ টাকা ফিতরা দেওয়া যাবে।
যব: এক সা’ বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম যবের বাজার মূল্য ৫৯৫ টাকা।
খেজুর: এক সা’ বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম খেজুরের বাজার মূল্য ২৪৭৫ টাকা।
কিসমিস: এক সা’ বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম কিসমিসের বাজার মূল্য ২৬৪০ টাকা।
পনির: এক সা’ বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম পনিরের বাজার মূল্য হিসেবে সর্বোচ্চ ২৮০৫ টাকা ফিতরা দিতে হবে।

দেশের সব বিভাগ থেকে সংগৃহীত আটা, যব, খেজুর, কিসমিস ও পনিরের স্থানীয় বাজার মূল্যের ওপর ভিত্তি করে এবারের ফিতরার এই হার নির্ধারণ করা হয়েছে। মুসলমানরা নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী উল্লিখিত পণ্যগুলোর যেকোনো একটি বা তার বাজার মূল্য দিয়ে সাদাকাতুল ফিতর আদায় করতে পারবেন। উল্লেখ্য, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এসব পণ্যের স্থানীয় খুচরা বাজার মূল্যের তারতম্য রয়েছে। সে অনুযায়ী স্থানীয় মূল্যে পরিশোধ করলেও ফিতরা আদায় হবে।

সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বোর্ড অব গভর্নরস সদস্য মাওলানা মাহফুজুল হক, দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, মুহাদ্দিস ড. ওয়ালিয়ুর রহমান খান, মুফাসসির ড. মাওলানা মোঃ আবু সালেহ পাটোয়ারী, কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া কামিল মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা আবুল কাশেম মোঃ ফজলুল হক, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, পেশ ইমাম মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী এবং রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মহিউদ্দিনসহ দেশের বিশিষ্ট আলেম ও ওলামাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।