চট্টগ্রাম-১৫ আসনের পরাজিত বিএনপি প্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমিন সম্প্রতি কারামুক্ত লোহাগাড়া উপজেলার কলাউজান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা দুলা মিয়াকে কারা ফটকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। রাজনৈতিক অঙ্গনের দুই ভিন্ন মেরুর নেতার এমন অপ্রত্যাশিত সাক্ষাৎ এবং ফুলেল আদান-প্রদানের ছবি মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
কারামুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা দুলা মিয়াকে অভ্যর্থনা জানানোর এই ছবি ছড়িয়ে পড়ার পরপরই নেট দুনিয়ায় নেতিবাচক মন্তব্যের ঝড় ওঠে। অনেকেই এই ঘটনাকে রাজনৈতিক আদর্শের পরিপন্থী আখ্যা দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। একইসাথে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দুলা মিয়ার অতীতের বিভিন্ন ছবিও ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে তাকে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে দেখা যায় এবং বিভিন্ন সভা-সমাবেশে বক্তৃতা দিতে দেখা যায়।
স্থানীয় বিএনপি নেতা রবিউল হাসান রবি এই ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক আখ্যা দিয়ে বলেন, “স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের আমলে দুলা মিয়া জনসাধারণকে মানুষ মনে করেননি। আমাদের অনেক বিএনপি নেতা তার হামলার শিকার হয়েছেন। অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, সেই আওয়ামী লীগ নেতাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন আমাদের নেতারা। বলার ভাষা নেই।” রবিউল হাসান রবির এই মন্তব্যে স্থানীয় বিএনপিতে অসন্তোষের মাত্রা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি রাতে পাঁচলাইশ থানাধীন সুগন্ধা আবাসিক এলাকা থেকে লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা দুলা মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পাঁচলাইশ থানা পুলিশ। নির্বাচনের আগে তাকে লোহাগাড়া থানার একটি হত্যা মামলায় আটক করা হয়েছিল। এছাড়া, জুলাই মাসের একটি আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল বলেও জানা যায়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দুলা মিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে এবং এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
রিপোর্টারের নাম 























