ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে (ডিএসসিসি) একটি পরিচ্ছন্ন ও সবুজ নগরী হিসেবে গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন নবনিযুক্ত প্রশাসক আবদুস সালাম। শুক্রবার রাজধানীর লালবাগের হৃদয় পার্টি সেন্টারে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই অঙ্গীকার করেন।
নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রশাসক জানান, বাসা-বাড়ি ও দোকানপাটের বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে রাখতে হবে, যা পরবর্তীতে সিটি করপোরেশনের কর্মীরা সংগ্রহ করবেন। বর্জ্য সংগ্রহের নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের বিষয়ে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়ে তিনি বলেন, কোনো বাসা থেকে ময়লা সংগ্রহের জন্য ১০০ টাকার বেশি ফি নিলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের লাইসেন্স বা অনুমোদন তাৎক্ষণিক বাতিল করা হবে।
আবদুস সালাম বলেন, “আমরা ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ—উভয় সিটি করপোরেশনকে একটি বাসযোগ্য, সবুজ ও পরিচ্ছন্ন নগরীতে রূপান্তর করার লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছি। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আমি নগরবাসীর আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।”
পুরান ঢাকার ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও ঐতিহ্য রক্ষার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেন নতুন এই প্রশাসক। তিনি বলেন, পুরান ঢাকার খাবার এবং এখানকার প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের বিশ্বজুড়ে খ্যাতি রয়েছে। দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে এই অঞ্চলকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। ঐতিহ্যের কোনো ক্ষতি না করে আধুনিকায়নের মাধ্যমে পর্যটনবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।
আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে তিনি আরও বলেন, মহানগরে চাঁদাবাজি, ছিনতাই কিংবা মাদকের মতো অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধী যে দলেরই হোক বা যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আসতে হবে।
সম্প্রতি নগরীতে মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে আবদুস সালাম জানান, মশক নিধন এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিটি করপোরেশনের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় নিয়মিত ওষুধ ছিটানোর পাশাপাশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি নগরবাসীকে আশ্বস্ত করেন।
রিপোর্টারের নাম 


















