মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান অস্থিরতা ও নিরাপত্তা ঝুঁকির প্রেক্ষাপটে ইরানে অবস্থানরত নিজ নাগরিকদের দ্রুত দেশ ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে চীন। শুক্রবার বেইজিংয়ের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক জরুরি বার্তায় এই সতর্কতা জারি করে। একই সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতিতে চীনা নাগরিকদের ইরান ভ্রমণ এড়িয়ে চলারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে ইরানে অবস্থানরত চীনা নাগরিকদের নিরাপত্তা জোরদার করা জরুরি। নাগরিকদের ‘যত দ্রুত সম্ভব’ বাণিজ্যিক ফ্লাইট অথবা স্থলপথ ব্যবহার করে ইরান ছাড়ার প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। এই স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের জন্য তেহরানে অবস্থিত চীনা দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে শুধু ইরান নয়, ইসরাইলে অবস্থানরত চীনা নাগরিকদের জন্যও উচ্চ সতর্কবার্তা জারি করেছে বেইজিং। দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, ইসরাইলে থাকা চীনা নাগরিকদের অপ্রয়োজনে ঘরের বাইরে বের না হতে এবং নিকটস্থ বোমা আশ্রয়কেন্দ্র ও নিরাপদ প্রস্থান পথ সম্পর্কে আগেভাগেই ধারণা রাখতে বলা হয়েছে।
অঞ্চলটিতে সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় একই দিন যুক্তরাষ্ট্রও ইসরাইল থেকে তাদের দূতাবাসের অপ্রয়োজনীয় কর্মীদের সরিয়ে নেওয়ার অনুমোদন দিয়েছে। ইরানের সম্ভাব্য হামলার হুমকির মুখে ওয়াশিংটন ওই অঞ্চলে গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় সামরিক সমাবেশ ঘটাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড’ ইসরাইল উপকূলে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
উল্লেখ্য, ওমানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চললেও মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান উত্তেজনা প্রশমনের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বরং বড় ধরনের সামরিক সংঘাতের আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
রিপোর্টারের নাম 






















