ঢাকা ১১:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে পুড়ল একই পরিবারের ৪ জন, আশঙ্কাজনক দম্পতি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১০:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে সৃষ্ট বিস্ফোরণে একই পরিবারের চারজন দগ্ধ হয়েছেন। মঙ্গলবার ভোরে এই ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের মধ্যে জিল হক (৩৭) ও তার স্ত্রী উম্মে হুমায়রার (৩০) অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের সঙ্গে দগ্ধ হয়েছেন জিল হকের মা মনোয়ারা বেগম (৬০) এবং তাদের দুই বছর বয়সী শিশু হুররাম।

মঙ্গলবার সকাল ৬টার দিকে দগ্ধদের দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, জিল হকের শরীরের ৫৪ শতাংশ এবং উম্মে হুমায়রার শরীরের ৬৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। এই দম্পতির অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

এছাড়াও, একই ঘটনায় জিল হকের মা মনোয়ারা বেগমের শরীরের দুই শতাংশ এবং শিশু হুররামের শরীরের ছয় শতাংশ পুড়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাতে সিলিন্ডার লিকেজ হয়ে গ্যাস জমে থাকার পর সকালে কোনোভাবে আগুন জ্বালাতে গিয়ে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকাকে ‘ক্লিন সিটি’ করার ঘোষণা ডিএসসিসি প্রশাসকের: চাঁদাবাজি ও মশার বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি

গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে পুড়ল একই পরিবারের ৪ জন, আশঙ্কাজনক দম্পতি

আপডেট সময় : ১০:১০:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে সৃষ্ট বিস্ফোরণে একই পরিবারের চারজন দগ্ধ হয়েছেন। মঙ্গলবার ভোরে এই ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের মধ্যে জিল হক (৩৭) ও তার স্ত্রী উম্মে হুমায়রার (৩০) অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের সঙ্গে দগ্ধ হয়েছেন জিল হকের মা মনোয়ারা বেগম (৬০) এবং তাদের দুই বছর বয়সী শিশু হুররাম।

মঙ্গলবার সকাল ৬টার দিকে দগ্ধদের দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, জিল হকের শরীরের ৫৪ শতাংশ এবং উম্মে হুমায়রার শরীরের ৬৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। এই দম্পতির অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

এছাড়াও, একই ঘটনায় জিল হকের মা মনোয়ারা বেগমের শরীরের দুই শতাংশ এবং শিশু হুররামের শরীরের ছয় শতাংশ পুড়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাতে সিলিন্ডার লিকেজ হয়ে গ্যাস জমে থাকার পর সকালে কোনোভাবে আগুন জ্বালাতে গিয়ে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।