দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে স্বস্তির খবর। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান নিশ্চিত করেছেন যে, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩০ দশমিক ১১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এই উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি মূলত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে নিলাম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ডলার ক্রয়ের ফল।
সম্প্রতি ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) প্রবাহে যে অভূতপূর্ব উল্লম্ফন দেখা গেছে, তা বাজারে ডলারের সরবরাহ বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়েছে। এই বাড়তি সরবরাহ কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ডলার কিনতে আরও অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে দেশে ৩১৭ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে, যা দেশের ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ। পূর্ববর্তী বছরের একই মাসের তুলনায় এই আয় ৪৫.৪১ শতাংশ বেশি। উল্লেখ্য, ২০২২ সালের জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছিল ২১৮ কোটি ডলার।
এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধির কারণে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে ডলারের সরবরাহ আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে ডলারের দর যেন হঠাৎ করে কমে না যায়, তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংক নিলামের মাধ্যমে ডলার কিনছে।
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ডলার কেনার এই কৌশলের ফলে একদিকে যেমন রিজার্ভ বাড়ছে, তেমনই ডলারের বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় থাকছে। ফলে একদিকে যেমন দেশের বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার সমৃদ্ধ হচ্ছে, তেমনই মুদ্রাবাজারেও একটি ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
রিপোর্টারের নাম 

























