চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফে পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে এক ঐতিহাসিক খতমে কোরআন মাহফিল অত্যন্ত ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সম্প্রতি সম্পন্ন হয়েছে। গত শনিবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এই মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় মোর্শেদে আজম মাদ্দাজিল্লুহুল আলী ছাহেব। তিনি তাঁর মূল্যবান বক্তব্যে তাকওয়া, পরহেজগারিতা ও আত্মশুদ্ধি অর্জনের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস রমজান আমাদের জীবনে এক অবারিত সুযোগ নিয়ে আসে।
প্রধান অতিথি তাঁর মূল্যবান বক্তব্যে আরও বলেন, এই পবিত্র মাসেই মহান আল্লাহ তায়ালা প্রিয় রাসূল (দ.)-এর ওপর মানবজাতির হেদায়তের জন্য মহাগ্রন্থ আল-কোরআন নাজিল করেছেন। একই সাথে এ মাসেই রয়েছে হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ রজনী লাইলাতুল কদর। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, খলিলুল্লাহ, আওলাদে মোস্তফা, খলিফায়ে রাসূল (দ.) হযরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কোরআনের আলোয় প্রতিটি জীবনকে আলোকিত করার মহৎ উদ্দেশ্যেই এই ঐতিহাসিক খতমে কোরআন মাহফিলের প্রবর্তন করেছিলেন। তাঁর তরিক্বত মূলত কোরআনময় জীবনযাপনেরই প্রতিচ্ছবি।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট সংগঠনের মহাসচিব প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবুল মনছুরের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই মাহফিলে আরও বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. জালাল আহমদ, মুফতি মাওলানা কাজী মুহাম্মদ আনোয়ারুল আলম ছিদ্দিকী এবং মাওলানা মুহাম্মদ গোলাম রাব্বানী ফয়সাল।
এবারের খতমে কোরআন মাহফিলে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কোরআন খতম, তাহলিল, খতমে ইউনূচ এবং দরূদে সাইফুল্লাহ আদায় করা হয়। এর মধ্যে ছিল ১৬ হাজার ১৩২টি খতমে কোরআন, ৬৩৪টি তাহলিল, ৮১টি খতমে ইউনূচ এবং ৩৯টি দরূদে সাইফুল্লাহ। মিলাদ ও কিয়াম শেষে প্রধান অতিথি দেশ, জাতি ও বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে এক বিশেষ মুনাজাত পরিচালনা করেন।
রিপোর্টারের নাম 

























