চট্টগ্রামের চাঞ্চল্যকর আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলার বিচারপ্রক্রিয়া দীর্ঘসূত্রিতার কারণে আবারও আলোচনায় এসেছে। বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলার শুনানিকালে আসামিপক্ষের জেরার মুখে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন নিহত আইনজীবীর পিতা ও মামলার বাদী জামাল উদ্দিন। ৭৬ বছর বয়সী জামাল উদ্দিন শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করলেও আদালত কক্ষে বসেই জেরার উত্তর দিয়েছেন।
আদালত সূত্র জানায়, মামলার শুনানিকালে আসামি চন্দন কুমার ধর ওরফে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের পক্ষে আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য পুনরায় সময়ের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করে। অন্যদিকে, আসামি দুর্লভ দাশ ও রুমিত দাশের পক্ষে আইনজীবী কেপি শর্মা জেরা সম্পন্ন করেন। স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদানকারী আসামি রাজীব ভট্টাচার্য আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজেই বাদীকে জেরা করেন। এরপর অন্য আসামিপক্ষও সময়ের আবেদন জানালে আদালত পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৯ মার্চ দিন নির্ধারণ করে।
শুনানি শেষে বাদীপক্ষের আইনজীবী ও সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী বলেন, দ্রুত বিচার প্রত্যাশা করা হলেও আসামিপক্ষের বারবার সময় নেওয়ার কারণে মামলার কার্যক্রম বিলম্বিত হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বয়োবৃদ্ধ ও অসুস্থ শরীর নিয়ে বাদী আদালতে এসে সাক্ষ্য দিচ্ছেন, যা বিচার প্রক্রিয়ার গুরুত্ব এবং পারিবারিক প্রত্যাশার প্রতিফলন।
এদিন চন্দন কুমার ধর ওরফে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ছাড়া অন্য আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়েছিল। চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে জেলহাজত থেকে ভার্চুয়ালি আদালতে উপস্থাপন করা হয়। আদালত চত্বরে এদিন কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল।
গত ২ ফেব্রুয়ারি বাদীর সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছিল। তদন্ত কর্মকর্তা কর্তৃক দাখিলকৃত চার্জশিটে মোট ৫০ জন সাক্ষীর তালিকা রয়েছে। আশা করা হচ্ছে, আগামী ৯ মার্চের শুনানিতে সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা কার্যক্রম আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।
রিপোর্টারের নাম 
























