ঢাকা ১০:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিমানবন্দর অগ্নি নিরাপত্তা জোরদারে দক্ষ জনবল তৈরি: সিভিল এভিয়েশন একাডেমিতে বিশেষ প্রশিক্ষণ সমাপ্ত

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০২:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

দেশের বিমানবন্দরগুলোতে অগ্নি নিরাপত্তা জোরদার এবং সম্ভাব্য বিমান দুর্ঘটনা মোকাবেলায় দক্ষ জনবল তৈরির লক্ষ্যে সিভিল এভিয়েশন একাডেমিতে অনুষ্ঠিত ৯০ দিনব্যাপী Crash Fire & Rescue (CFR) Basic Course-এর সমাপনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে এই বিশেষ প্রশিক্ষণের সনদ বিতরণ করা হয়। গত বছরের ০৬ অক্টোবর শুরু হওয়া এই প্রশিক্ষণ গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত হয়।

আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (ICAO) মানদণ্ড অনুসরণ করে এই প্রশিক্ষণCourse-এর মূল উদ্দেশ্য ছিল অংশগ্রহণকারীদের বিমানবন্দরের অগ্নি নিরাপত্তা এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি করা। এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে অগ্নি সুরক্ষার মান উন্নত হবে এবং যেকোনো দুর্ঘটনা মোকাবেলায় প্রস্তুতি আরও জোরদার হবে।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিভিল এভিয়েশন একাডেমির পরিচালক জনাব প্রশান্ত কুমার চক্রবর্তী। তিনি তার বক্তব্যে বিমান চলাচলের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং বিমান দুর্ঘটনা মোকাবেলায় এ ধরনের প্রশিক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দেশের সকল বিমানবন্দরে অগ্নি সুরক্ষা ব্যবস্থা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলেই এই প্রশিক্ষণের সার্থকতা পূর্ণতা পাবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত পরিচালক (ফায়ার) জনাব এ এস এম খালেদ জানান, ICAO মানদণ্ড অনুযায়ী বিমানবন্দর পরিচালনা এবং এয়ারপোর্ট ইমারজেন্সি প্ল্যান বাস্তবায়নে এই প্রশিক্ষিত জনবল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষক এবং প্রশিক্ষণার্থীরা তাদের প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতা, বাস্তব চ্যালেঞ্জ এবং কার্যকর কৌশল নিয়ে মতবিনিময় করেন।

বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই কোর্সটি আয়োজিত হয়েছে। এটি ICAO-এর গ্লোবাল এভিয়েশন ইমারজেন্সি প্ল্যানের সাথে সামঞ্জস্য রেখে দেশের বিমান চলাচল খাতে অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে। এই কোর্সে সংস্থার ফায়ার বিভাগের ০৫ জন অগ্নি নির্বাপন কর্মী অংশগ্রহণ করেন।

গত পাঁচ মাস ধরে প্রশিক্ষণার্থীরা অগ্নি নির্বাপন মহড়া, ফায়ার টেন্ডার পরিচালনা, উদ্ধার কার্যক্রম এবং তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক বিভিন্ন মডিউলে অংশ নিয়েছেন। এই প্রশিক্ষণ তাদের বিমানবন্দরে যেকোনো ধরনের অগ্নিকাণ্ডজনিত জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রীপুরে ১২ বিঘার সূর্যমুখী বাগান: কৃষি ও পর্যটনে নতুন দিগন্ত

বিমানবন্দর অগ্নি নিরাপত্তা জোরদারে দক্ষ জনবল তৈরি: সিভিল এভিয়েশন একাডেমিতে বিশেষ প্রশিক্ষণ সমাপ্ত

আপডেট সময় : ১০:০২:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দেশের বিমানবন্দরগুলোতে অগ্নি নিরাপত্তা জোরদার এবং সম্ভাব্য বিমান দুর্ঘটনা মোকাবেলায় দক্ষ জনবল তৈরির লক্ষ্যে সিভিল এভিয়েশন একাডেমিতে অনুষ্ঠিত ৯০ দিনব্যাপী Crash Fire & Rescue (CFR) Basic Course-এর সমাপনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে এই বিশেষ প্রশিক্ষণের সনদ বিতরণ করা হয়। গত বছরের ০৬ অক্টোবর শুরু হওয়া এই প্রশিক্ষণ গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত হয়।

আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (ICAO) মানদণ্ড অনুসরণ করে এই প্রশিক্ষণCourse-এর মূল উদ্দেশ্য ছিল অংশগ্রহণকারীদের বিমানবন্দরের অগ্নি নিরাপত্তা এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি করা। এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে অগ্নি সুরক্ষার মান উন্নত হবে এবং যেকোনো দুর্ঘটনা মোকাবেলায় প্রস্তুতি আরও জোরদার হবে।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিভিল এভিয়েশন একাডেমির পরিচালক জনাব প্রশান্ত কুমার চক্রবর্তী। তিনি তার বক্তব্যে বিমান চলাচলের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং বিমান দুর্ঘটনা মোকাবেলায় এ ধরনের প্রশিক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দেশের সকল বিমানবন্দরে অগ্নি সুরক্ষা ব্যবস্থা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলেই এই প্রশিক্ষণের সার্থকতা পূর্ণতা পাবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত পরিচালক (ফায়ার) জনাব এ এস এম খালেদ জানান, ICAO মানদণ্ড অনুযায়ী বিমানবন্দর পরিচালনা এবং এয়ারপোর্ট ইমারজেন্সি প্ল্যান বাস্তবায়নে এই প্রশিক্ষিত জনবল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষক এবং প্রশিক্ষণার্থীরা তাদের প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতা, বাস্তব চ্যালেঞ্জ এবং কার্যকর কৌশল নিয়ে মতবিনিময় করেন।

বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই কোর্সটি আয়োজিত হয়েছে। এটি ICAO-এর গ্লোবাল এভিয়েশন ইমারজেন্সি প্ল্যানের সাথে সামঞ্জস্য রেখে দেশের বিমান চলাচল খাতে অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে। এই কোর্সে সংস্থার ফায়ার বিভাগের ০৫ জন অগ্নি নির্বাপন কর্মী অংশগ্রহণ করেন।

গত পাঁচ মাস ধরে প্রশিক্ষণার্থীরা অগ্নি নির্বাপন মহড়া, ফায়ার টেন্ডার পরিচালনা, উদ্ধার কার্যক্রম এবং তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক বিভিন্ন মডিউলে অংশ নিয়েছেন। এই প্রশিক্ষণ তাদের বিমানবন্দরে যেকোনো ধরনের অগ্নিকাণ্ডজনিত জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।