ঢাকা ১২:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

প্রবাসী আয়ে বড় লাফ: ১৬ দিনেই এলো ১৮০ কোটি ডলার, শক্তিশালী হচ্ছে রিজার্ভ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৯:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ে বড় ধরনের ইতিবাচক ধারা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ১৬ দিনেই দেশে ১৮০ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ প্রবাসী আয় এসেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই প্রবৃদ্ধি প্রায় ২১ শতাংশ। প্রবাসী আয়ের এই জোরালো প্রবাহের ওপর ভর করে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও বড় ধরনের উন্নতি হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ে প্রবাসীরা যে পরিমাণ অর্থ পাঠিয়েছেন, তা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। গত বছর এই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৪৯ কোটি ডলার। চলতি মাসের কেবল ১৬ তারিখেই দেশে এসেছে ১৫ কোটি ২০ লাখ ডলার। প্রবাসী আয়ের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার কারণে বাজার থেকে ডলার কিনছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক, যা বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।

রেমিট্যান্সের এই প্রবাহের ফলে গতকাল মঙ্গলবার নাগাদ দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলারে। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী, বর্তমানে প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ ২৯ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলার। এর আগে গত ৭ ফেব্রুয়ারি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ২৯ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলার এবং মোট রিজার্ভ ছিল ৩৪ দশমিক শূন্য ৬ বিলিয়ন ডলার।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রবাসী আয়ে এমন প্রবৃদ্ধি বজায় থাকলে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্বস্তি ফেরার পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে স্থিতিশীলতা আরও সুসংহত হবে। মূলত বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর বিষয়ে প্রবাসীদের উৎসাহ এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী উদ্যোগের ফলেই এই ইতিবাচক পরিবর্তন আসছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অভাবের তাড়নায় চা বিক্রেতার মেয়ের চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন অনিশ্চিত

প্রবাসী আয়ে বড় লাফ: ১৬ দিনেই এলো ১৮০ কোটি ডলার, শক্তিশালী হচ্ছে রিজার্ভ

আপডেট সময় : ০৬:৩৯:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ে বড় ধরনের ইতিবাচক ধারা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ১৬ দিনেই দেশে ১৮০ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ প্রবাসী আয় এসেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই প্রবৃদ্ধি প্রায় ২১ শতাংশ। প্রবাসী আয়ের এই জোরালো প্রবাহের ওপর ভর করে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও বড় ধরনের উন্নতি হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ে প্রবাসীরা যে পরিমাণ অর্থ পাঠিয়েছেন, তা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। গত বছর এই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৪৯ কোটি ডলার। চলতি মাসের কেবল ১৬ তারিখেই দেশে এসেছে ১৫ কোটি ২০ লাখ ডলার। প্রবাসী আয়ের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার কারণে বাজার থেকে ডলার কিনছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক, যা বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।

রেমিট্যান্সের এই প্রবাহের ফলে গতকাল মঙ্গলবার নাগাদ দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলারে। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী, বর্তমানে প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ ২৯ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলার। এর আগে গত ৭ ফেব্রুয়ারি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ২৯ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলার এবং মোট রিজার্ভ ছিল ৩৪ দশমিক শূন্য ৬ বিলিয়ন ডলার।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রবাসী আয়ে এমন প্রবৃদ্ধি বজায় থাকলে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্বস্তি ফেরার পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে স্থিতিশীলতা আরও সুসংহত হবে। মূলত বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর বিষয়ে প্রবাসীদের উৎসাহ এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী উদ্যোগের ফলেই এই ইতিবাচক পরিবর্তন আসছে।