ঢাকা ১১:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

বেনাপোল বন্দর দিয়ে ২১০০ মেট্রিক টন চাল আমদানি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০৩:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ৬ দিনে ১৫টি চালানে ৫৮টি ট্রাকে ২ হাজার ১০০ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল আমদানি করা হয়েছে।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ভারতীয় আমদানিকৃত চালের একটি চালানে তিনটি ট্রাক বেনাপোল বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে প্রবেশ করেছে। অর্থাৎ ২৭ জানুয়ারি থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ছয় কার্যদিবসে ২ হাজার ১০০ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছে। এই চালের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্স ও মেসার্স ভূঁইয়া এন্টারপ্রাইজ।

দেশের বাজারে চালের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাস্টমস থেকে ছাড়ের সুবিধা দিয়েছে সরকার।

বন্দর সূত্র জানায়, গত বছরের আগস্ট-নভেম্বর এই তিন মাসে বেনাপোল বন্দর দিয়ে চাল আমদানি হয়েছিল ৬ হাজার ১২৮ মেট্রিক টন। চলতি মাসের ১৮ জানুয়ারি ২৩২ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে দুই লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। যার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে আগামী ৩ মার্চ পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে আমদানি করা চাল বাংলাদেশে বাজারজাত করতে হবে। আমদানি করা প্রতি কেজি চালের সব খরচসহ দাম পড়ছে ৫০ টাকা।

বেনাপোল বন্দরের বন্দর পরিচালক শামীম হোসেন জানান, বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে ছয় দিনে ৫৮টি ট্রাকে ২ হাজার ১০০ মেট্রিক টন (নন বাসমতি) মোটা চাল আমদানি হয়েছে। আমদানি করা চালের চালানগুলো বন্দর থেকে দ্রুত খালাসের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান-ইসরাইল সংঘাত: ইসরাইলের দাবি, আকাশপথে ২০০০টির বেশি বোমা বর্ষণ

বেনাপোল বন্দর দিয়ে ২১০০ মেট্রিক টন চাল আমদানি

আপডেট সময় : ১০:০৩:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ৬ দিনে ১৫টি চালানে ৫৮টি ট্রাকে ২ হাজার ১০০ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল আমদানি করা হয়েছে।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ভারতীয় আমদানিকৃত চালের একটি চালানে তিনটি ট্রাক বেনাপোল বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে প্রবেশ করেছে। অর্থাৎ ২৭ জানুয়ারি থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ছয় কার্যদিবসে ২ হাজার ১০০ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছে। এই চালের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্স ও মেসার্স ভূঁইয়া এন্টারপ্রাইজ।

দেশের বাজারে চালের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাস্টমস থেকে ছাড়ের সুবিধা দিয়েছে সরকার।

বন্দর সূত্র জানায়, গত বছরের আগস্ট-নভেম্বর এই তিন মাসে বেনাপোল বন্দর দিয়ে চাল আমদানি হয়েছিল ৬ হাজার ১২৮ মেট্রিক টন। চলতি মাসের ১৮ জানুয়ারি ২৩২ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে দুই লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। যার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে আগামী ৩ মার্চ পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে আমদানি করা চাল বাংলাদেশে বাজারজাত করতে হবে। আমদানি করা প্রতি কেজি চালের সব খরচসহ দাম পড়ছে ৫০ টাকা।

বেনাপোল বন্দরের বন্দর পরিচালক শামীম হোসেন জানান, বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে ছয় দিনে ৫৮টি ট্রাকে ২ হাজার ১০০ মেট্রিক টন (নন বাসমতি) মোটা চাল আমদানি হয়েছে। আমদানি করা চালের চালানগুলো বন্দর থেকে দ্রুত খালাসের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।