ঢাকা ০১:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ১.১৫ লাখ অস্ট্রেলীয় নাগরিক আটকা, ফিরতে পারছেন না দেশে

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের জেরে আকাশপথ বন্ধ থাকায় প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার অস্ট্রেলীয় নাগরিক নিজ দেশে ফিরতে পারছেন না। অস্ট্রেলিয়া সরকার এমন তথ্য জানিয়েছে। বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালু হলে আটকে পড়া অস্ট্রেলীয়দের ফিরিয়ে আনা সহজ হবে বলে দেশটির সরকার আশা করছে।

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, “ওই অঞ্চলে প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার অস্ট্রেলীয় নাগরিক অবস্থান করছেন। এটি একটি বড় সংখ্যা। তাদের দেশে ফেরানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হবে বাণিজ্যিক ফ্লাইট পুনরায় চালু হওয়া, কারণ এটিই বৃহৎ পরিসরে সম্ভব।”

তিনি উল্লেখ করেন যে, অঞ্চলটিতে সংঘাত চলছে এবং বিভিন্ন স্থানে প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। আকাশসীমা বন্ধ থাকায় অস্ট্রেলীয় বা বাণিজ্যিক কোনো ফ্লাইটই পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না।

নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে আনা হবে কিনা, এমন প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রথমে বাণিজ্যিক ফ্লাইট পুনরায় চালু হওয়ার অপেক্ষায় আছে। এই বিষয়ে তারা বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের সাথে যোগাযোগ রাখছেন।

পেনি ওং আরও জানান, ইসরাইল, ইরান, কাতার বা সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থানরত অস্ট্রেলীয় নাগরিক, স্থায়ী বাসিন্দা এবং তাদের নিকটাত্মীয়দের নিবন্ধনের জন্য সরকার একটি অনলাইন সংকট পোর্টাল চালু করেছে।

অন্যদিকে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর প্রসঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের পদক্ষেপ সম্পর্কে ব্যাখ্যা দেওয়ার দায়িত্ব তাদেরই। তিনি আরও বলেন, সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর জন্য কেউ শোক করছে না, কারণ তিনি এমন এক শাসনব্যবস্থার নেতৃত্ব দিয়েছেন যা ক্ষমতা ধরে রাখতে নিজ দেশের জনগণকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের ‘আগাম হামলা’ পরিকল্পনার প্রমাণ মেলেনি: পেন্টাগন

মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ১.১৫ লাখ অস্ট্রেলীয় নাগরিক আটকা, ফিরতে পারছেন না দেশে

আপডেট সময় : ১১:২১:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের জেরে আকাশপথ বন্ধ থাকায় প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার অস্ট্রেলীয় নাগরিক নিজ দেশে ফিরতে পারছেন না। অস্ট্রেলিয়া সরকার এমন তথ্য জানিয়েছে। বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালু হলে আটকে পড়া অস্ট্রেলীয়দের ফিরিয়ে আনা সহজ হবে বলে দেশটির সরকার আশা করছে।

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, “ওই অঞ্চলে প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার অস্ট্রেলীয় নাগরিক অবস্থান করছেন। এটি একটি বড় সংখ্যা। তাদের দেশে ফেরানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হবে বাণিজ্যিক ফ্লাইট পুনরায় চালু হওয়া, কারণ এটিই বৃহৎ পরিসরে সম্ভব।”

তিনি উল্লেখ করেন যে, অঞ্চলটিতে সংঘাত চলছে এবং বিভিন্ন স্থানে প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। আকাশসীমা বন্ধ থাকায় অস্ট্রেলীয় বা বাণিজ্যিক কোনো ফ্লাইটই পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না।

নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে আনা হবে কিনা, এমন প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রথমে বাণিজ্যিক ফ্লাইট পুনরায় চালু হওয়ার অপেক্ষায় আছে। এই বিষয়ে তারা বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের সাথে যোগাযোগ রাখছেন।

পেনি ওং আরও জানান, ইসরাইল, ইরান, কাতার বা সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থানরত অস্ট্রেলীয় নাগরিক, স্থায়ী বাসিন্দা এবং তাদের নিকটাত্মীয়দের নিবন্ধনের জন্য সরকার একটি অনলাইন সংকট পোর্টাল চালু করেছে।

অন্যদিকে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর প্রসঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের পদক্ষেপ সম্পর্কে ব্যাখ্যা দেওয়ার দায়িত্ব তাদেরই। তিনি আরও বলেন, সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর জন্য কেউ শোক করছে না, কারণ তিনি এমন এক শাসনব্যবস্থার নেতৃত্ব দিয়েছেন যা ক্ষমতা ধরে রাখতে নিজ দেশের জনগণকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে।