ঢাকা ১২:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের বলি: আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বড়লেখার প্রবাসীর মৃত্যু

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের রেশ ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমান শহরে ইরানের ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে মৌলভীবাজারের বড়লেখার এক প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। নিহত সালেহ আহমেদ ওরফে আহমদ আলী (৫০) বড়লেখা পৌরসভার গাজিটেকা দাসপাড়া গ্রামের মৃত সবর আলীর ছেলে। গত শনিবার সন্ধ্যায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

রোববার দিবাগত রাত সোয়া ১০টার দিকে বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং নিহতের দেশে থাকা স্বজনরা তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয় বড়লেখা পৌরসভার ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. শাহজাহান জানান, খবর পেয়ে তিনি নিহত সালেহ আহমেদের বাড়িতে গিয়ে শোকাহত পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নিয়েছেন।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সালেহ আহমেদ আজমান শহরে বসবাস করছিলেন এবং সেখানে পানির গাড়িচালকের কাজ করতেন। গত শনিবার সন্ধ্যায় তার নিয়মিত কাজের সময় মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র আজমান শহরে আঘাত হানে। এতে সালেহ আহমেদসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। তাদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সালেহ আহমেদকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত সালেহ আহমেদ স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার এবং এলাকাজুড়ে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান খান পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লেবাননে ইসরাইলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩১, আহত ১৪৯

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের বলি: আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বড়লেখার প্রবাসীর মৃত্যু

আপডেট সময় : ১০:৫৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের রেশ ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমান শহরে ইরানের ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে মৌলভীবাজারের বড়লেখার এক প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। নিহত সালেহ আহমেদ ওরফে আহমদ আলী (৫০) বড়লেখা পৌরসভার গাজিটেকা দাসপাড়া গ্রামের মৃত সবর আলীর ছেলে। গত শনিবার সন্ধ্যায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

রোববার দিবাগত রাত সোয়া ১০টার দিকে বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং নিহতের দেশে থাকা স্বজনরা তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয় বড়লেখা পৌরসভার ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. শাহজাহান জানান, খবর পেয়ে তিনি নিহত সালেহ আহমেদের বাড়িতে গিয়ে শোকাহত পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নিয়েছেন।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সালেহ আহমেদ আজমান শহরে বসবাস করছিলেন এবং সেখানে পানির গাড়িচালকের কাজ করতেন। গত শনিবার সন্ধ্যায় তার নিয়মিত কাজের সময় মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র আজমান শহরে আঘাত হানে। এতে সালেহ আহমেদসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। তাদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সালেহ আহমেদকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত সালেহ আহমেদ স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার এবং এলাকাজুড়ে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান খান পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।