মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৬:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬

ইছামতিতে প্রতিদিনই ফেলেন বড়শি, আজ ধরা পড়লো ১৬ কেজি ওজনের মাছ

যশোরের শার্শা উপজেলার সীমান্তবর্তী ইছামতি নদীতে বড়শিতে ধরা পড়েছে ১৬ কেজি ওজনের এক বিশাল পাঙাশ মাছ। মাছটি ধরেছেন উপজেলার অগ্রভুলোট গ্রামের দুই যুবক বিল্লাল হোসেন (২৫) ও আব্দুর রহিম (২২)।

রবিবার (২ নভেম্বর) দুপুরে প্রতিদিনের মতো বড়শি হাতে নদীতে যান বিল্লাল ও রহিম। কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর বিল্লালের হুইলে (বড়শিতে) হঠাৎ তীব্র টান লাগে। শুরু হয় এক লড়াই। প্রায় ২০ মিনিট খেলিয়ে খেলিয়ে অবশেষে তিন জনের সহযোগিতায় মাছটি পাড়ে (তীরে) তোলা হয়।

নদীর পাড়ে তখন যেন ছোটখাটো উৎসবের আমেজ। স্থানীয়রা ছুটে আসেন বিশাল মাছটি দেখতে। কেউ বলেন ২০ কেজি, কেউ বলেন ১৮ কেজি। ওজন নিয়ে শুরু হয় তর্ক-বিতর্ক। শেষ পর্যন্ত ভুলোট গ্রামের শিপন হোসেনের দোকানে ওজন করে দেখা যায়, মাছটির ওজন ১৬ কেজি। পরে উপস্থিত ক্রেতারা প্রতি কেজি ৩০০ টাকা দরে মাছটি কেটে ভাগ করে নেন। তাতে এক মাছেই তাদের পকেটে আসে চার হাজার ৮০০ টাকা।

মাছ ধরার আনন্দে উচ্ছ্বসিত বিল্লাল হোসেন বলেন, আমরা প্রতিদিনই বড়শি নিয়ে ইছামতি নদীতে যাই। কিন্তু এত বড় মাছ এই প্রথম পেয়েছি। এ বছর নদীতে মাছ বেশ ভালো ধরা পড়ছে।

শার্শা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা পলাশ বালা বলেন, নদীতে বড়শি দিয়ে মাছ ধরা আইনসঙ্গত। এমন বড় পাঙাশ সাধারণত উজানের পানিতে ভারতের দিক থেকে ভেসে আসে। স্থানীয় খামার বা পুকুরে এত বড় মাছ সাধারণত চাষ হয় না।

ইছামতি নদীতে এ ধরনের বড় মাছ ধরা পড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। অনেকেই বলেছেন, বহু বছর পর নদীতে এমন বড় মাছ দেখা গেলো, যা এক সময়ের প্রাণবন্ত ইছামতি নদীর পুরনো স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খুবিতে ‘খবরের পাতায় গণঅভ্যুত্থান ২৪’ : নতুন প্রজন্মের কাছে ইতিহাস তুলে ধরতে ফটো এক্সিবিশন

ইছামতিতে প্রতিদিনই ফেলেন বড়শি, আজ ধরা পড়লো ১৬ কেজি ওজনের মাছ

আপডেট সময় : ০৮:৫৬:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫

যশোরের শার্শা উপজেলার সীমান্তবর্তী ইছামতি নদীতে বড়শিতে ধরা পড়েছে ১৬ কেজি ওজনের এক বিশাল পাঙাশ মাছ। মাছটি ধরেছেন উপজেলার অগ্রভুলোট গ্রামের দুই যুবক বিল্লাল হোসেন (২৫) ও আব্দুর রহিম (২২)।

রবিবার (২ নভেম্বর) দুপুরে প্রতিদিনের মতো বড়শি হাতে নদীতে যান বিল্লাল ও রহিম। কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর বিল্লালের হুইলে (বড়শিতে) হঠাৎ তীব্র টান লাগে। শুরু হয় এক লড়াই। প্রায় ২০ মিনিট খেলিয়ে খেলিয়ে অবশেষে তিন জনের সহযোগিতায় মাছটি পাড়ে (তীরে) তোলা হয়।

নদীর পাড়ে তখন যেন ছোটখাটো উৎসবের আমেজ। স্থানীয়রা ছুটে আসেন বিশাল মাছটি দেখতে। কেউ বলেন ২০ কেজি, কেউ বলেন ১৮ কেজি। ওজন নিয়ে শুরু হয় তর্ক-বিতর্ক। শেষ পর্যন্ত ভুলোট গ্রামের শিপন হোসেনের দোকানে ওজন করে দেখা যায়, মাছটির ওজন ১৬ কেজি। পরে উপস্থিত ক্রেতারা প্রতি কেজি ৩০০ টাকা দরে মাছটি কেটে ভাগ করে নেন। তাতে এক মাছেই তাদের পকেটে আসে চার হাজার ৮০০ টাকা।

মাছ ধরার আনন্দে উচ্ছ্বসিত বিল্লাল হোসেন বলেন, আমরা প্রতিদিনই বড়শি নিয়ে ইছামতি নদীতে যাই। কিন্তু এত বড় মাছ এই প্রথম পেয়েছি। এ বছর নদীতে মাছ বেশ ভালো ধরা পড়ছে।

শার্শা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা পলাশ বালা বলেন, নদীতে বড়শি দিয়ে মাছ ধরা আইনসঙ্গত। এমন বড় পাঙাশ সাধারণত উজানের পানিতে ভারতের দিক থেকে ভেসে আসে। স্থানীয় খামার বা পুকুরে এত বড় মাছ সাধারণত চাষ হয় না।

ইছামতি নদীতে এ ধরনের বড় মাছ ধরা পড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। অনেকেই বলেছেন, বহু বছর পর নদীতে এমন বড় মাছ দেখা গেলো, যা এক সময়ের প্রাণবন্ত ইছামতি নদীর পুরনো স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে।