দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে প্রবেশ করে স্লোগান দিয়েছেন নেতাকর্মীরা। এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ খালেদ হাবিব সুমন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক রহমতুল্লাহ রহমত, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক সৈয়দ সালাহ উদ্দিন দিলীপ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য রুহানা নিশাত বিথী, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুল আলম, বীরগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক আরিফুজ্জামান, পাল্টাপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মন্জুরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে প্রবেশ করে স্লোগান দেয়।
জানা যায়, রবিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জেলা আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীরা জেলা শহরের বাসুনিয়াপট্টির দলীয় কার্যালয়ের ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা নিজেদের মোবাইলে সেলফি তোলেন এবং নিজেরাই তাদের কার্যালয়ে প্রবেশ ও স্লোগান দেওয়ার ভিডিও ধারণ করেন। এ সময় তারা ‘জয় বাংলা’, ‘শেখ হাসিনার ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
সেখানে কিছু সময় অবস্থান করে তারা সেখান থেকে চলে যান। পরে তাদের প্রবেশ ও স্লোগানের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের হামলার পর থেকে জেলা আওয়ামী লীগ ও কোতোয়ালি আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় দুটি বন্ধ রয়েছে। প্রায় দেড় বছর পর কার্যালয়ে প্রবেশ করে স্লোগান দেওয়া এবং সেটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় আলোচনা শুরু হয়েছে।
আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের ভেতরে নেতাকর্মীদের প্রবেশের প্রতিবাদে বিকাল ৫টার দিকে জুলাইযোদ্ধা ব্যানারে কয়েকজন সেখানে ঢুকে খড়িতে আগুন জ্বালিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেয়।
কথা হলে দিনাজপুর সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল হালিম বলেন, এই ঘটনায় এজাহার নামীয় আসামিদেরকে গ্রেফতার করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে বিকালে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক রোকনুজ্জামান বিপ্লব, উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোনায়েম মিঞা, ৩নং শতগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মোস্তফা, ৪নং পাল্টাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক জিয়াউর রহমান জিয়াসহ অন্য নেতৃবৃন্দ।
তবে এ বিষয়ে জানতে বারবার ফোন দেওয়া হলেও বীরগঞ্জ থানার ওসি সাইফুল ইসলাম ফোন রিসিভ করেননি।
রিপোর্টারের নাম 






















