ঢাকা ০৫:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

গাজার শিক্ষা ব্যবস্থা বিধ্বস্ত: ৯০ শতাংশ স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত, শিশুরা অনিশ্চয়তায়

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২০:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ (UNRWA) জানিয়েছে, ইসরাইলের ধারাবাহিক হামলায় অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার শিক্ষা অবকাঠামোর ৯০ শতাংশই ক্ষতিগ্রস্ত বা সম্পূর্ণরূপে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতি শিশুদের ভবিষ্যৎকে গভীর অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে।

সংস্থাটি বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (X) প্রকাশিত এক পোস্টে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। পোস্টে আরও বলা হয়েছে যে, গাজার যে স্কুলগুলো এখনো আংশিকভাবে টিকে আছে, সেগুলো বর্তমানে বাস্তুচ্যুত হাজার হাজার মানুষের জন্য আশ্রয়কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ফলে, শিশুরা তাদের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম থেকে সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বর্তমানে তারা অস্থায়ী শ্রেণিকক্ষ এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ওপর নির্ভর করে কোনোমতে শিক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে, যা কখনোই একটি পূর্ণাঙ্গ বিকল্প হতে পারে না।

ইউএনআরডব্লিউএ জানিয়েছে, এই চরমThe বিপর্যয়ের মধ্যেও তারা গাজার শিশুদের শিক্ষা সহায়তা প্রদানের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তবে, স্কুলগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি এবং আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের কারণে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা এক বিরাট চ্যালেঞ্জ।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠনগুলোর ইসরাইল অভিযানের পর থেকে গাজার ওপর ইসরাইলি আগ্রাসন তীব্রতর হয়েছে। এই আগ্রাসনের ফলে ভূমধ্যসাগরীয় এই ক্ষুদ্র ভূখণ্ডটিতে সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ মানবিক সংকট দেখা দিয়েছে। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, দীর্ঘ এই আগ্রাসনে এ পর্যন্ত ৭২ হাজার ৪৫ জন নিহত হয়েছেন, যা গাজার জনজীবনে এক অপূরণীয় ক্ষতি। এই পরিস্থিতিতে শিক্ষা ব্যবস্থার এই চরমThe ধ্বংসযজ্ঞ শিশুদের মানসিক ও শিক্ষাগত বিকাশে দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নাবিক নয়, বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের দূত: নৌ প্রতিমন্ত্রী

গাজার শিক্ষা ব্যবস্থা বিধ্বস্ত: ৯০ শতাংশ স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত, শিশুরা অনিশ্চয়তায়

আপডেট সময় : ০৭:২০:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ (UNRWA) জানিয়েছে, ইসরাইলের ধারাবাহিক হামলায় অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার শিক্ষা অবকাঠামোর ৯০ শতাংশই ক্ষতিগ্রস্ত বা সম্পূর্ণরূপে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতি শিশুদের ভবিষ্যৎকে গভীর অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে।

সংস্থাটি বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (X) প্রকাশিত এক পোস্টে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। পোস্টে আরও বলা হয়েছে যে, গাজার যে স্কুলগুলো এখনো আংশিকভাবে টিকে আছে, সেগুলো বর্তমানে বাস্তুচ্যুত হাজার হাজার মানুষের জন্য আশ্রয়কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ফলে, শিশুরা তাদের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম থেকে সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বর্তমানে তারা অস্থায়ী শ্রেণিকক্ষ এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ওপর নির্ভর করে কোনোমতে শিক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে, যা কখনোই একটি পূর্ণাঙ্গ বিকল্প হতে পারে না।

ইউএনআরডব্লিউএ জানিয়েছে, এই চরমThe বিপর্যয়ের মধ্যেও তারা গাজার শিশুদের শিক্ষা সহায়তা প্রদানের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তবে, স্কুলগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি এবং আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের কারণে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা এক বিরাট চ্যালেঞ্জ।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠনগুলোর ইসরাইল অভিযানের পর থেকে গাজার ওপর ইসরাইলি আগ্রাসন তীব্রতর হয়েছে। এই আগ্রাসনের ফলে ভূমধ্যসাগরীয় এই ক্ষুদ্র ভূখণ্ডটিতে সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ মানবিক সংকট দেখা দিয়েছে। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, দীর্ঘ এই আগ্রাসনে এ পর্যন্ত ৭২ হাজার ৪৫ জন নিহত হয়েছেন, যা গাজার জনজীবনে এক অপূরণীয় ক্ষতি। এই পরিস্থিতিতে শিক্ষা ব্যবস্থার এই চরমThe ধ্বংসযজ্ঞ শিশুদের মানসিক ও শিক্ষাগত বিকাশে দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।