ঢাকা ০৫:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

থাইল্যান্ডে সরকার গঠনে থাকসিন-সমর্থিত ফিউ থাই পার্টির সঙ্গে জোটের সম্ভাবনা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৬:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

থাইল্যান্ডের রাজনীতিতে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রভাবশালী অবস্থানে থাকা থাকসিন সিনাওয়াত্রার নেতৃত্বাধীন ফিউ থাই পার্টি সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে আশানুরূপ ফল করতে পারেনি। এই অপ্রত্যাশিত ফলাফলের পরিপ্রেক্ষিতে দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল তাঁর ভুমজাইথাই পার্টির সঙ্গে ফিউ থাই পার্টির জোট গঠনের ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নিজেই এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে আনুতিন চার্নভিরাকুল-এর নেতৃত্বাধীন ভুমজাইথাই পার্টি বিপুল ভোটে জয়লাভ করে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ৫০০ সদস্যের প্রতিনিধি পরিষদে ভুমজাইথাই পার্টি পেয়েছে ১৯৩টি আসন। সংস্কারবাদী পিপলস পার্টি ১১৮টি আসন নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে, এবং জনপ্রিয় ফিউ থাই পার্টি ৭৪টি আসন পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে নেমে এসেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ফিউ থাই পার্টির সঙ্গে জোটবদ্ধ হলে প্রধানমন্ত্রী আনুতিনের দল পার্লামেন্টে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করবে। এটি থাইল্যান্ডে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা নিরসনে এবং একটি স্থিতিশীল সরকার গঠনে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ফিউ থাই পার্টির নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পর প্রধানমন্ত্রী আনুতিন সাংবাদিকদের বলেছেন, তাঁরা একসঙ্গে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত এবং দেশের উন্নয়নে কাজ করতে আগ্রহী।

উল্লেখ্য, ভুমজাইথাই পার্টি পূর্বে ফিউ থাই পার্টির নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন জোটের একটি অংশ ছিল। তবে, ২০২৩ সালের নির্বাচনের পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পেতাংতার্ন সিনাওয়াত্রা এবং কম্বোডিয়ার সাবেক নেতা হান সেনের মধ্যে একটি ফাঁস হওয়া ফোনকলকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতি এবং পরবর্তীতে আদালতের আদেশে পেতাংতার্ন সিনাওয়াত্রার বরখাস্তের ঘটনায় জোট থেকে বেরিয়ে আসে ভুমজাইথাই। এরপর আনুতিন চার্নভিরাকুল প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

মাত্র ১০০ দিনেরও কম সময় ক্ষমতায় থাকার পর, ৫৯ বছর বয়সী প্রধানমন্ত্রী আনুতিন গত ডিসেম্বরে পার্লামেন্ট ভেঙে দেন, যার ফলে এই আগাম নির্বাচনের আয়োজন করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নাবিক নয়, বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের দূত: নৌ প্রতিমন্ত্রী

থাইল্যান্ডে সরকার গঠনে থাকসিন-সমর্থিত ফিউ থাই পার্টির সঙ্গে জোটের সম্ভাবনা

আপডেট সময় : ০৬:৩৬:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

থাইল্যান্ডের রাজনীতিতে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রভাবশালী অবস্থানে থাকা থাকসিন সিনাওয়াত্রার নেতৃত্বাধীন ফিউ থাই পার্টি সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে আশানুরূপ ফল করতে পারেনি। এই অপ্রত্যাশিত ফলাফলের পরিপ্রেক্ষিতে দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল তাঁর ভুমজাইথাই পার্টির সঙ্গে ফিউ থাই পার্টির জোট গঠনের ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নিজেই এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে আনুতিন চার্নভিরাকুল-এর নেতৃত্বাধীন ভুমজাইথাই পার্টি বিপুল ভোটে জয়লাভ করে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ৫০০ সদস্যের প্রতিনিধি পরিষদে ভুমজাইথাই পার্টি পেয়েছে ১৯৩টি আসন। সংস্কারবাদী পিপলস পার্টি ১১৮টি আসন নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে, এবং জনপ্রিয় ফিউ থাই পার্টি ৭৪টি আসন পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে নেমে এসেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ফিউ থাই পার্টির সঙ্গে জোটবদ্ধ হলে প্রধানমন্ত্রী আনুতিনের দল পার্লামেন্টে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করবে। এটি থাইল্যান্ডে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা নিরসনে এবং একটি স্থিতিশীল সরকার গঠনে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ফিউ থাই পার্টির নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পর প্রধানমন্ত্রী আনুতিন সাংবাদিকদের বলেছেন, তাঁরা একসঙ্গে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত এবং দেশের উন্নয়নে কাজ করতে আগ্রহী।

উল্লেখ্য, ভুমজাইথাই পার্টি পূর্বে ফিউ থাই পার্টির নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন জোটের একটি অংশ ছিল। তবে, ২০২৩ সালের নির্বাচনের পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পেতাংতার্ন সিনাওয়াত্রা এবং কম্বোডিয়ার সাবেক নেতা হান সেনের মধ্যে একটি ফাঁস হওয়া ফোনকলকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতি এবং পরবর্তীতে আদালতের আদেশে পেতাংতার্ন সিনাওয়াত্রার বরখাস্তের ঘটনায় জোট থেকে বেরিয়ে আসে ভুমজাইথাই। এরপর আনুতিন চার্নভিরাকুল প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

মাত্র ১০০ দিনেরও কম সময় ক্ষমতায় থাকার পর, ৫৯ বছর বয়সী প্রধানমন্ত্রী আনুতিন গত ডিসেম্বরে পার্লামেন্ট ভেঙে দেন, যার ফলে এই আগাম নির্বাচনের আয়োজন করা হয়।