টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের দাপট বজায় রেখে ইংল্যান্ডকে ৩০ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শেরফন রাদারফোর্ডের বিধ্বংসী ব্যাটিং এবং বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে এই দাপুটে জয় তুলে নেয় ক্যারিবীয়রা। এই জয়ের ফলে স্কটল্যান্ডের পর ইংল্যান্ডকেও হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান মজবুত করল তারা।
মুম্বাইয়ে টস হেরে আগে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দলীয় মাত্র ৮ রানে ২ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা দলকে প্রাথমিক স্বস্তি দেন শিমরন হেটমায়ার ও রোস্টন চেজ। তৃতীয় উইকেটে তারা ৪৪ রান যোগ করেন। হেটমায়ার ২৩ রানে বিদায় নিলেও এক প্রান্ত আগলে রেখে তাণ্ডব শুরু করেন শেরফন রাদারফোর্ড। তার ৪২ বলে ৭৬ রানের অনবদ্য ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের পাহাড় গড়ে উইন্ডিজ। রাদারফোর্ডের এই টর্নেডো ইনিংসটি সাজানো ছিল ৭টি ছক্কা ও ২টি চারে। ইংল্যান্ডের পক্ষে আদিল রশিদ ১৬ রান দিয়ে ২ উইকেট শিকার করেন।
১৯৭ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইংল্যান্ডের শুরুটা ছিল বেশ আশাব্যঞ্জক। দুই ওপেনার ফিল সল্ট ও জশ বাটলার মাত্র ৩ ওভারেই ৩৮ রান তুলে জয়ের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তবে ওপেনিং জুটি ভাঙার পর মিডল অর্ডারের ব্যর্থতায় তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ইংলিশদের ব্যাটিং লাইনআপ। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় তারা। দলের পক্ষে স্যাম কারান সর্বোচ্চ ৪৩ এবং বেথেল ৩৩ রান করলেও তা পরাজয় এড়ানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না। শেষ পর্যন্ত ১৯ ওভারে ১৬৬ রানেই গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ডের ইনিংস। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে গুদাকেশ মোতি ৩৩ রান খরচায় ৩টি উইকেট নেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ১৯৬/৬ (২০ ওভার); রাদারফোর্ড ৭৬, চেজ ৩৪, রশিদ ২/১৬।
ইংল্যান্ড: ১৬৬/১০ (১৯ ওভার); কারান ৪৩, বেথেল ৩৩, মোতি ৩/৩৩।
ফল: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩০ রানে জয়ী।
ম্যাচসেরা: শেরফন রাদারফোর্ড।
রিপোর্টারের নাম 























