ঢাকা ০৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এলিস-ঝড়ে উড়ে গেল আয়ারল্যান্ড, কলম্বোয় দাপুটে জয় অস্ট্রেলিয়ার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪২:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

কলম্বোর পিচে শুরুটা নড়বড়ে হলেও শেষ পর্যন্ত নিজেদের দাপট বজায় রেখে আয়ারল্যান্ডকে ৬৭ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। নাথান এলিসের বিধ্বংসী বোলিং এবং অ্যাডাম জাম্পার ঘূর্ণিতে আইরিশদের ইনিংস গুটিয়ে যায় অল্পতেই। শুরুতে ট্রাভিস হেডের দ্রুত বিদায়ের পরও মার্কাস স্টয়নিস, জশ ইংলিশ ও ম্যাট রেনশর ঝোড়ো ইনিংসে বড় সংগ্রহ গড়েছিল অজিরা।

টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই অধিনায়ক ট্রাভিস হেড ব্যক্তিগত শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন। দলের মাত্র ৭ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর মনে হচ্ছিল, হয়তো ম্যাচজুড়েই সংগ্রাম করবে অস্ট্রেলিয়া। তবে সেই শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় তাসমান সাগরপাড়ের দলটি। জশ ইংলিশের ১৭ বলে ৩৭, ম্যাট রেনশর ৩৩ বলে ৩৭ এবং মার্কাস স্টয়নিসের ২৯ বলে ৪৫ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ভর করে ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮২ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর দাঁড় করায় তারা। ক্যামেরুন গ্রিনও ১১ বলে ২১ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলেন। আয়ারল্যান্ডের পক্ষে মার্ক অ্যাডায়ার ৪৪ রান খরচায় দুটি উইকেট শিকার করেন।

১৮৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি আয়ারল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা। নাথান এলিসের বিধ্বংসী বোলিং এবং অ্যাডাম জাম্পার কার্যকরী স্পিনে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে আইরিশরা। শেষ পর্যন্ত ১৬.৫ ওভারেই মাত্র ১১৫ রানে অলআউট হয়ে যায় আয়ারল্যান্ড। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪১ রান করেন জর্জ ডকরেল। এছাড়া লরকান টাকার ২৪ রান করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে নাথান এলিস মাত্র ১২ রান দিয়ে ৪টি উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন। অ্যাডাম জাম্পাও ২৩ রান খরচায় ৪ উইকেট শিকার করে আইরিশ ব্যাটিং লাইনআপের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভরাডুবি: ‘অপ্রাসঙ্গিক’ হওয়ার ঝুঁকিতে শ্রীলঙ্কা, সাঙ্গাকারার কড়া হুঁশিয়ারি

এলিস-ঝড়ে উড়ে গেল আয়ারল্যান্ড, কলম্বোয় দাপুটে জয় অস্ট্রেলিয়ার

আপডেট সময় : ০৮:৪২:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কলম্বোর পিচে শুরুটা নড়বড়ে হলেও শেষ পর্যন্ত নিজেদের দাপট বজায় রেখে আয়ারল্যান্ডকে ৬৭ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। নাথান এলিসের বিধ্বংসী বোলিং এবং অ্যাডাম জাম্পার ঘূর্ণিতে আইরিশদের ইনিংস গুটিয়ে যায় অল্পতেই। শুরুতে ট্রাভিস হেডের দ্রুত বিদায়ের পরও মার্কাস স্টয়নিস, জশ ইংলিশ ও ম্যাট রেনশর ঝোড়ো ইনিংসে বড় সংগ্রহ গড়েছিল অজিরা।

টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই অধিনায়ক ট্রাভিস হেড ব্যক্তিগত শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন। দলের মাত্র ৭ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর মনে হচ্ছিল, হয়তো ম্যাচজুড়েই সংগ্রাম করবে অস্ট্রেলিয়া। তবে সেই শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় তাসমান সাগরপাড়ের দলটি। জশ ইংলিশের ১৭ বলে ৩৭, ম্যাট রেনশর ৩৩ বলে ৩৭ এবং মার্কাস স্টয়নিসের ২৯ বলে ৪৫ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ভর করে ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮২ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর দাঁড় করায় তারা। ক্যামেরুন গ্রিনও ১১ বলে ২১ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলেন। আয়ারল্যান্ডের পক্ষে মার্ক অ্যাডায়ার ৪৪ রান খরচায় দুটি উইকেট শিকার করেন।

১৮৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি আয়ারল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা। নাথান এলিসের বিধ্বংসী বোলিং এবং অ্যাডাম জাম্পার কার্যকরী স্পিনে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে আইরিশরা। শেষ পর্যন্ত ১৬.৫ ওভারেই মাত্র ১১৫ রানে অলআউট হয়ে যায় আয়ারল্যান্ড। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪১ রান করেন জর্জ ডকরেল। এছাড়া লরকান টাকার ২৪ রান করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে নাথান এলিস মাত্র ১২ রান দিয়ে ৪টি উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন। অ্যাডাম জাম্পাও ২৩ রান খরচায় ৪ উইকেট শিকার করে আইরিশ ব্যাটিং লাইনআপের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন।