জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলাকালীন ভোটকেন্দ্রের গোপন কক্ষে কোনো প্রকার মোবাইল ফোন বা ইলেকট্রনিক গ্যাজেট নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না। তবে, ভোটকেন্দ্রের সাধারণ এলাকায় ভোটার, প্রার্থী, তাদের এজেন্ট, গণমাধ্যম কর্মী এবং নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা মোবাইল ফোন সঙ্গে রাখতে পারবেন। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ আজ সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে নির্বাচন কমিশন থেকে মোবাইল ফোন নিয়ে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে বাধা নেই বলে একটি নির্দেশনা এসেছিল, যা নিয়ে জনমনে কিছু বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল। সেই বিভ্রান্তি দূর করতে এবং বিষয়টিকে আরও স্পষ্ট করতে নির্বাচন কমিশন তাদের পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত সংশোধন করেছে। সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, “ভোটার, প্রার্থী বা তাদের এজেন্টরা ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন সঙ্গে রাখতে পারবেন। সাংবাদিক ও নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা ছবি তুলতে পারবেন। তবে, ভোটদানের গোপন কক্ষ, যেখানে ব্যালট পেপার স্ট্যাম্প করা হয়, সেখানে কোনোভাবেই মোবাইল ফোন ব্যবহার করা যাবে না।” এই সংশোধিত নির্দেশনা একটি পরিপত্রের মাধ্যমে জারি করা হচ্ছে, যাতে এ বিষয়ে আর কোনো ধরনের অস্পষ্টতা না থাকে।
তবে, এই নমনীয়তার মধ্যেও কিছু সুনির্দিষ্ট বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। পোলিং এজেন্ট, পোলিং অফিসার, অ্যাসিস্টেন্ট প্রিজাইডিং অফিসার এবং ভোটকেন্দ্রে নিয়োজিত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের তাদের দায়িত্ব পালনের সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করার অনুমতি নেই। নিয়মানুযায়ী, তারা এই বিশেষ আওতার বাইরে থাকবেন।
বিভিন্ন মহল থেকে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন সঙ্গে রাখতে না দেওয়ার বিষয়ে কমিশনের পূর্ববর্তী সিদ্ধান্তের পুনর্বিবেচনার জন্য একাধিকবার অনুরোধ এসেছিল। এসব অনুরোধ বিবেচনা করে কমিশন আলোচনা সাপেক্ষে পরিপত্রের এই নির্দিষ্ট অংশটুকু বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সংশোধিত নীতিমালার মাধ্যমে নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সকলের কাজের সুবিধার দিকেও নজর রাখা হয়েছে।
—
রিপোর্টারের নাম 























