ঢাকা ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের মোবাইল ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা: ৫টার মধ্যে প্রত্যাহারের আলটিমেটাম, ইসি ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৯:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

নির্বাচন ও গণভোটের দিন ভোটকেন্দ্রের ৪০০ মিটারের মধ্যে সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন ব্যবহারে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জারি করা নিষেধাজ্ঞাকে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের চেষ্টা হিসেবে আখ্যায়িত করেছে জুলাই রেভল্যুশেনারী জার্নালিস্ট অ্যালায়েন্স (জেআরজেএ)। আজ বিকেল ৫টার মধ্যে এই বিতর্কিত প্রজ্ঞাপন বাতিল করা না হলে নির্বাচন কমিশন কার্যালয় ঘেরাও করার আলটিমেটাম দিয়েছে সংগঠনটি।

এক বিবৃতিতে জেআরজেএ-এর সাধারণ সম্পাদক ইসরাফিল ফারজী ইসির এই সিদ্ধান্তকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে বলেন, এটি নাগরিক অধিকারের চরম লঙ্ঘন এবং বৈষম্যমূলক। বর্তমান ডিজিটাল যুগে মোবাইল ফোন সংবাদকর্মীদের জন্য একটি অপরিহার্য পেশাগত সরঞ্জাম। নির্বাচনের তাৎক্ষণিক তথ্য ও বাস্তবতা জনগণের সামনে তুলে ধরতে মোবাইল ফোন ব্যবহারের বিকল্প নেই। এমন পরিস্থিতিতে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা মানেই হলো পরিকল্পিতভাবে সংবাদ প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করা এবং নির্বাচনের স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে এভাবেই তথ্য নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে নির্বাচনের নামে প্রহসন করা হয়েছিল। বর্তমান কমিশনের এমন সিদ্ধান্ত সেই অন্ধকার আমলের স্মৃতিকেই মনে করিয়ে দিচ্ছে, যা জনমনে গভীর সন্দেহের সৃষ্টি করেছে। স্বাধীন সাংবাদিকতা কখনোই নির্বাচনী শৃঙ্খলার জন্য হুমকি নয়, বরং এটি একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের রক্ষাকবচ। ইসির এই সিদ্ধান্ত কেবল বাস্তবতা-বিবর্জিতই নয়, বরং স্বাধীন সংবাদ সংগ্রহের সাংবিধানিক চেতনার সঙ্গেও সাংঘর্ষিক।

সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, আজ বিকেল ৫টার মধ্যে এই অগণতান্ত্রিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ঘোষণা না এলে সাংবাদিক সমাজ নির্বাচন কমিশন অভিমুখে পদযাত্রা ও ঘেরাও কর্মসূচি পালন করবে। এর ফলে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে তার সম্পূর্ণ দায়ভার নির্বাচন কমিশনকেই বহন করতে হবে। জনগণের জানার অধিকার রক্ষায় এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে সাংবাদিক সমাজ যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত ও ঐক্যবদ্ধ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনীতিতে ইরানের পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের প্রতি কড়া বার্তা

ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের মোবাইল ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা: ৫টার মধ্যে প্রত্যাহারের আলটিমেটাম, ইসি ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় : ০৪:৫৯:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নির্বাচন ও গণভোটের দিন ভোটকেন্দ্রের ৪০০ মিটারের মধ্যে সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন ব্যবহারে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জারি করা নিষেধাজ্ঞাকে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের চেষ্টা হিসেবে আখ্যায়িত করেছে জুলাই রেভল্যুশেনারী জার্নালিস্ট অ্যালায়েন্স (জেআরজেএ)। আজ বিকেল ৫টার মধ্যে এই বিতর্কিত প্রজ্ঞাপন বাতিল করা না হলে নির্বাচন কমিশন কার্যালয় ঘেরাও করার আলটিমেটাম দিয়েছে সংগঠনটি।

এক বিবৃতিতে জেআরজেএ-এর সাধারণ সম্পাদক ইসরাফিল ফারজী ইসির এই সিদ্ধান্তকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে বলেন, এটি নাগরিক অধিকারের চরম লঙ্ঘন এবং বৈষম্যমূলক। বর্তমান ডিজিটাল যুগে মোবাইল ফোন সংবাদকর্মীদের জন্য একটি অপরিহার্য পেশাগত সরঞ্জাম। নির্বাচনের তাৎক্ষণিক তথ্য ও বাস্তবতা জনগণের সামনে তুলে ধরতে মোবাইল ফোন ব্যবহারের বিকল্প নেই। এমন পরিস্থিতিতে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা মানেই হলো পরিকল্পিতভাবে সংবাদ প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করা এবং নির্বাচনের স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে এভাবেই তথ্য নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে নির্বাচনের নামে প্রহসন করা হয়েছিল। বর্তমান কমিশনের এমন সিদ্ধান্ত সেই অন্ধকার আমলের স্মৃতিকেই মনে করিয়ে দিচ্ছে, যা জনমনে গভীর সন্দেহের সৃষ্টি করেছে। স্বাধীন সাংবাদিকতা কখনোই নির্বাচনী শৃঙ্খলার জন্য হুমকি নয়, বরং এটি একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের রক্ষাকবচ। ইসির এই সিদ্ধান্ত কেবল বাস্তবতা-বিবর্জিতই নয়, বরং স্বাধীন সংবাদ সংগ্রহের সাংবিধানিক চেতনার সঙ্গেও সাংঘর্ষিক।

সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, আজ বিকেল ৫টার মধ্যে এই অগণতান্ত্রিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ঘোষণা না এলে সাংবাদিক সমাজ নির্বাচন কমিশন অভিমুখে পদযাত্রা ও ঘেরাও কর্মসূচি পালন করবে। এর ফলে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে তার সম্পূর্ণ দায়ভার নির্বাচন কমিশনকেই বহন করতে হবে। জনগণের জানার অধিকার রক্ষায় এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে সাংবাদিক সমাজ যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত ও ঐক্যবদ্ধ।