জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, তার দল যদি রাষ্ট্রক্ষমতায় আসে, তবে একজন সৎ, যোগ্য ও নিষ্ঠাবান ব্যক্তিই দেশের রাষ্ট্রপতি হবেন। ভবিষ্যতে কে হবেন দেশের শীর্ষ এই পদে, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান এবং বলেন, আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন। রোববার সন্ধ্যায় নিজের নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১৫ আসনে গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মিরপুরের কাফরুল থানা এলাকার উত্তর ইব্রাহিমপুরে গণসংযোগ শুরুর আগে ব্যাটেলিয়ন বউ বাজার সংলগ্ন বাইতুস সালাত জামে মসজিদে (বর্ণমালা ওয়ার্ড) মাগরিবের নামাজ আদায় করেন জামায়াত আমির। নামাজ শেষে তিনি স্থানীয় জনগণের সঙ্গে কথা বলা শুরু করেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক বিষয়ে তাদের মতামত শোনেন।
এ সময় তিনি এলাকার নাগরিক সেবা, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে এলাকাবাসীর সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন। ডা. শফিকুর রহমানকে ঘিরে এলাকার মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। অনেকেই তার সঙ্গে করমর্দন ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য ভিড় করেন। বিভিন্ন বাসা-বাড়ীর গেটে ও বারান্দায় দাঁড়িয়ে অনেকেই তাকে সালাম জানান এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আশ্বাস দেন। জামায়াত আমিরও সবার দোয়া ও ভোট কামনা করেন।
গণসংযোগের এক পর্যায়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, দেশের মানুষ দীর্ঘকাল ধরে ন্যায়বিচার, সুশাসন ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য অপেক্ষা করছে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে যোগ্যতা ও সততাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, দেশের মানুষ ন্যায়বিচার, শান্তি ও সুশাসন চায়। এমন একটি বাংলাদেশ আমরা চাই, যেখানে কেউ রাজনৈতিক কারণে নির্যাতিত হবে না, কেউ অন্যায়ের শিকার হবে না।
জামায়াত আমির দাবি করেন, দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে জনগণ। দেশকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে হলে রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বে সৎ ও যোগ্য লোকদের দায়িত্ব দিতে হবে। তার ভাষায়, দেশ পরিচালনা কোনো ব্যক্তিগত সম্পদ নয়, এটি একটি আমানত। এই আমানত যাদের হাতে যাবে, তাদের অবশ্যই সৎ ও নিষ্ঠাবান হতে হবে।
গণসংযোগে জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তর নায়েবে আমির ও ঢাকা-১৫ আসনের পরিচালক আব্দুর রহমান মুসা, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ-সভাপতি লস্কর মুহাম্মদ তসলিম, ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, কাফরুল দক্ষিণ থানা আমির আনওয়ারুল করীম, সেক্রেটারি আবু নাহিদসহ স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 
























