আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর জনপ্রতিনিধি ও প্রার্থী বাছাইয়ে পাঁচটি নির্দিষ্ট শর্তকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। এই তথ্য জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান। শনিবার সকালে সদর উপজেলার আলীরটেকের ক্রোকেরচর এলাকায় একটি ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী এই মানদণ্ডগুলোর ভিত্তিতেই প্রার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে। অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান উল্লেখ করেন, স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে তারাই বিবেচিত হবেন যারা গত ১৫ বছর ধরে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন, জেল-জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, বিভিন্ন মামলা-মোকদ্দমা সাহসের সাথে মোকাবিলা করেছেন, দলীয় নেতা-কর্মীদের সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং নিজ এলাকায় গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন। পাশাপাশি, মাদক বা চাঁদাবাজির মতো কোনো অভিযোগ বা মামলা যাদের বিরুদ্ধে নেই, তারাই তারেক রহমানের বিবেচনায় স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধি ও প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হবেন।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে নাসিক প্রশাসক আরও বলেন, কোনো সুবিধাবাদী ব্যক্তিকে সুযোগ দেওয়া বা ভোট দেওয়া উচিত নয়। এমন ব্যক্তিকেই জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করতে হবে, যিনি এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে কার্যকরভাবে দাবি উত্থাপন করতে পারবেন এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ভূমিকা রাখবেন।
দলীয় শৃঙ্খলার গুরুত্ব তুলে ধরে সাখাওয়াত হোসেন খান সতর্ক করে বলেন, অতীতে যারা দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, তাদের রাজনৈতিক পরিণতি সবারই জানা। দলের বাইরে থেকে দলবিরোধী অবস্থান নেওয়া ব্যক্তিদের ভবিষ্যতে আর কোনো মূল্যায়ন করা হবে না বলেও তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, শাহীন হোসেন সরকারসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সমাজসেবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। এই ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে প্রায় ৩০০ জন ছানি আক্রান্ত রোগীকে চিকিৎসা ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হয়।
রিপোর্টারের নাম 























