ঢাকা ০১:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত রক লিজেন্ড আইয়ুব বাচ্চু: ‘এটি ব্যান্ডসংগীতের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি’

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৩:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

বাংলা ব্যান্ডসংগীতের কিংবদন্তি পুরুষ, গিটার জাদুকর আইয়ুব বাচ্চুকে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করেছে সরকার। দেশের সংগীত অঙ্গনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে রাষ্ট্রের এই সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মানে (২০২৬ সালের জন্য) মনোনীত করা হয়েছে। প্রিয় শিল্পীর প্রয়াণের সাত বছর পর এই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির খবরে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন তার পরিবার, ভক্ত ও সংগীত সংশ্লিষ্টরা।

আইয়ুব বাচ্চুর এই প্রাপ্তিতে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তার সহধর্মিণী ফেরদৌস আক্তার চন্দনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন। তার মতে, এই সম্মাননা কেবল ব্যক্তিগতভাবে আইয়ুব বাচ্চুর নয়, বরং এটি বাংলাদেশের সামগ্রিক ব্যান্ডসংগীতের জন্য এক বিশাল মাইলফলক এবং রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এক পোস্টে ফেরদৌস আক্তার চন্দনা লেখেন, ‘২০২৬ সালের একুশে পদকে (মরণোত্তর) ভূষিত হলেন রক আইকন আইয়ুব বাচ্চু। এটি কেবল একজন শিল্পী হিসেবে আইয়ুব বাচ্চুর সম্মাননা নয়, বরং এটি বাংলা ব্যান্ডসংগীত ও সুস্থ ধারার সংগীতের প্রতি রাষ্ট্রের এক অনন্য স্বীকৃতি।’

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে আইয়ুব বাচ্চুর ত্যাগের কথা স্মরণ করে তিনি আরও উল্লেখ করেন, আইয়ুব বাচ্চু আজ সশরীরে ভক্তদের মাঝে নেই, কিন্তু তিনি তার পুরো জীবন উৎসর্গ করেছিলেন সংগীতের জন্য। সংগীতই ছিল তার ধ্যান-জ্ঞান।

কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে চন্দনা আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রতিটি প্রান্তে এবং বিশ্বের যেখানেই বাংলা ভাষাভাষী মানুষ রয়েছেন, তাদের হৃদয়ে তিনি চিরকাল বেঁচে থাকবেন। তাকে এই মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা প্রদানের জন্য জুরি বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে গভীর কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

উল্লেখ্য, বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৬ সালের একুশে পদকপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ করেছে সরকার। আইয়ুব বাচ্চু ছাড়াও এই তালিকায় রয়েছেন প্রখ্যাত অভিনেত্রী ফরিদা আক্তার ববিতাসহ ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি ব্যান্ড দল। সংগীত ও সংস্কৃতিতে আইয়ুব বাচ্চুর এই মরণোত্তর সম্মাননা দেশের ব্যান্ডসংগীতের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রীলঙ্কা থেকে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ২৩৮ ইরানি নাবিক

মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত রক লিজেন্ড আইয়ুব বাচ্চু: ‘এটি ব্যান্ডসংগীতের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি’

আপডেট সময় : ০৬:৪৩:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলা ব্যান্ডসংগীতের কিংবদন্তি পুরুষ, গিটার জাদুকর আইয়ুব বাচ্চুকে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করেছে সরকার। দেশের সংগীত অঙ্গনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে রাষ্ট্রের এই সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মানে (২০২৬ সালের জন্য) মনোনীত করা হয়েছে। প্রিয় শিল্পীর প্রয়াণের সাত বছর পর এই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির খবরে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন তার পরিবার, ভক্ত ও সংগীত সংশ্লিষ্টরা।

আইয়ুব বাচ্চুর এই প্রাপ্তিতে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তার সহধর্মিণী ফেরদৌস আক্তার চন্দনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন। তার মতে, এই সম্মাননা কেবল ব্যক্তিগতভাবে আইয়ুব বাচ্চুর নয়, বরং এটি বাংলাদেশের সামগ্রিক ব্যান্ডসংগীতের জন্য এক বিশাল মাইলফলক এবং রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এক পোস্টে ফেরদৌস আক্তার চন্দনা লেখেন, ‘২০২৬ সালের একুশে পদকে (মরণোত্তর) ভূষিত হলেন রক আইকন আইয়ুব বাচ্চু। এটি কেবল একজন শিল্পী হিসেবে আইয়ুব বাচ্চুর সম্মাননা নয়, বরং এটি বাংলা ব্যান্ডসংগীত ও সুস্থ ধারার সংগীতের প্রতি রাষ্ট্রের এক অনন্য স্বীকৃতি।’

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে আইয়ুব বাচ্চুর ত্যাগের কথা স্মরণ করে তিনি আরও উল্লেখ করেন, আইয়ুব বাচ্চু আজ সশরীরে ভক্তদের মাঝে নেই, কিন্তু তিনি তার পুরো জীবন উৎসর্গ করেছিলেন সংগীতের জন্য। সংগীতই ছিল তার ধ্যান-জ্ঞান।

কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে চন্দনা আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রতিটি প্রান্তে এবং বিশ্বের যেখানেই বাংলা ভাষাভাষী মানুষ রয়েছেন, তাদের হৃদয়ে তিনি চিরকাল বেঁচে থাকবেন। তাকে এই মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা প্রদানের জন্য জুরি বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে গভীর কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

উল্লেখ্য, বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৬ সালের একুশে পদকপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ করেছে সরকার। আইয়ুব বাচ্চু ছাড়াও এই তালিকায় রয়েছেন প্রখ্যাত অভিনেত্রী ফরিদা আক্তার ববিতাসহ ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি ব্যান্ড দল। সংগীত ও সংস্কৃতিতে আইয়ুব বাচ্চুর এই মরণোত্তর সম্মাননা দেশের ব্যান্ডসংগীতের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল।