আশুলিয়ায় জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের সময় ছয়জনের লাশ পোড়ানোসহ সাতজনকে হত্যার দায়ে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ সাবেক সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলামসহ ছয়জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন। একই রায়ে সাত আসামিকে যাবজ্জীবন এবং আরও দুজনকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে ঘটনার প্রকৃত তথ্য প্রকাশ করে রাজসাক্ষী হওয়ায় আশুলিয়া থানার সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) শেখ আবজালুল হককে বেকসুর খালাস প্রদান করা হয়েছে।
রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক সংসদ সদস্য সাইফুলের সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর মধ্যে বিতরণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করে। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন—বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর পাঁচ আসামি হলেন: আশুলিয়া থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম সায়েদ রনি, আশুলিয়া থানার সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল মালেক, সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) বিশ্বজিৎ সাহা, কনস্টেবল মুকুল চৌধুরী এবং যুবলীগের সদস্য রনি ভুঁইয়া।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামি হলেন: ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম, এসপি আসাদুজ্জামান রিফন, অতিরিক্ত এসপি আব্দুল্লাহিল কাফি, অতিরিক্ত এসপি শাহিদুল ইসলাম, ইন্সপেক্টর মাসুদুর রহমান, ইন্সপেক্টর (অপারেশন) নির্মল কুমার দাস এবং ইন্সপেক্টর আরাফাত হোসেন আরজু (ডিবি)।
এছাড়া, সাত বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দু’জন হলেন: এসআই আরাফাত উদ্দিন এবং এএসআই কামরুল হাসান।
এই রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে ট্রাইব্যুনাল ও সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় কয়েক স্তরের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। পুলিশ, র্যাব ও বিজিবির পাশাপাশি সেনাবাহিনীও মোতায়েন ছিল। এছাড়া, গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও সার্বক্ষণিক তৎপর ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 

























