দেশের জরুরি জ্বালানি চাহিদা মেটাতে এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে ২ বিলিয়ন (২০০ কোটি) মার্কিন ডলার সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার আয়োজিত ‘এশিয়া জিরো এমিশন কমিউনিটি (এজেডইসি) প্লাস’ অনলাইন সম্মেলনে দেওয়া ভাষণে তিনি এই বৈশ্বিক সংহতির আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং তা মোকাবিলায় দৃঢ় ও ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপ প্রয়োজন। সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করাকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।
চলমান বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের ভয়াবহতা তুলে ধরে তিনি সতর্ক করেন যে, এই পরিস্থিতির প্রভাব ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটের চেয়েও গুরুতর হতে পারে, যা বিগত দশকের উন্নয়ন কার্যক্রমকে স্থবির করে দিয়েছিল। তিনি বলেন, কোনো দেশ এককভাবে এই বিশাল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারবে না। আঞ্চলিক জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রয়োজন। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও দারিদ্র্য বিমোচনের ধারা যেন এই সংকটে থমকে না যায়, সে বিষয়ে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
জ্বালানি সংকট সামাল দিতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, অফিস ও বাজারের সময়সূচি পরিবর্তন, জ্বালানি আমদানি বৃদ্ধি এবং রেশনিংয়ের মতো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া মজুতদারি ও আতঙ্কজনিত কেনাকাটা রোধে ‘ফুয়েল অ্যাপ’-এর মতো প্রযুক্তিগত উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। তবে এই সংকট থেকে উত্তরণে এবং স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে ভয়াবহ অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিপর্যয় থেকে বাঁচাতে একটি শক্তিশালী ও সমন্বিত বৈশ্বিক প্রচেষ্টার কোনো বিকল্প নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।
রিপোর্টারের নাম 



















