ঢাকা ০৫:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

কর্মসংস্থান ও আধুনিকায়নের রোডম্যাপ: সিলেট-১ আসনে খন্দকার মুক্তাদিরের ১১ দফা ইশতেহার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০২:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

সিলেট-১ (মহানগর ও সদর) আসনের সামগ্রিক উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে ১১ দফা সম্বলিত নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সিলেট নগরীর কাজিটুলাস্থ প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কর্মপরিকল্পনা জনগণের সামনে তুলে ধরেন।

‘কর্মসংস্থান, মানবিক উন্নয়ন ও টেকসই নগরায়নের রোডম্যাপ’ শীর্ষক এই ইশতেহারে আগামীতে নির্বাচিত হলে সিলেটকে একটি আধুনিক ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার সুনির্দিষ্ট রূপরেখা প্রদান করা হয়েছে। খন্দকার মুক্তাদির তার ইশতেহারে শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন, আইটি ও ইনোভেশন হাব প্রতিষ্ঠা এবং তরুণ প্রজন্মের দক্ষতা বৃদ্ধিতে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। এছাড়া নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য স্টার্টআপ সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি।

ইশতেহারের উল্লেখযোগ্য দিকগুলোর মধ্যে রয়েছে—কৃষিখাতের আধুনিকায়ন ও কৃষিপণ্য সংরক্ষণে কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন, সিলেটের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং একটি নারীবান্ধব নগরী গড়ে তোলা। জনস্বাস্থ্য সেবার মানোন্নয়নে বিশেষায়িত হাসপাতাল ও চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণের পাশাপাশি সিলেটের বিলুপ্তপ্রায় খালগুলো পুনরুদ্ধার ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নের কথা বলা হয়েছে।

যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে সড়ক ও রেলপথের উন্নয়নসহ ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পরিকল্পনা ইশতেহারে স্থান পেয়েছে। এছাড়া খেলাধুলার প্রসারে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ, কিশোর গ্যাং ও মাদক নির্মূলে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন এবং পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থাপনের অঙ্গীকার করা হয়েছে। ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের স্বীকৃতিস্বরূপ ইমাম ও মোয়াজ্জিনদের কল্যাণে একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের কথাও উল্লেখ করেন এই প্রার্থী।

ইশতেহার ঘোষণা শেষে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানান, তার লক্ষ্য সিলেটকে একটি কর্মসংস্থান-নির্ভর ও পরিবেশবান্ধব আধুনিক নগরীতে রূপান্তর করা। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন—বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-ক্ষুদ্র ঋণ ও কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি কাইয়ুম চৌধুরী, মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আবুল কাহের চৌধুরী শামীম ও মিজানুর রহমান চৌধুরী।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাদিয়া চৌধুরী মুন্নি, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, সাবেক সভাপতি নাসিম হোসাইন, বদরুজ্জামান সেলিম, সিভিক ভয়েসের চেয়ারম্যান পাশা খন্দকার, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আশিক উদ্দিন আশুক, সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ সিলেটের আহ্বায়ক ডা. শামীমুর রহমান এবং শাবিপ্রবি জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. শাহ মো. আতিকুল হকসহ দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার প্রার্থী চূড়ান্তের ক্ষমতা

কর্মসংস্থান ও আধুনিকায়নের রোডম্যাপ: সিলেট-১ আসনে খন্দকার মুক্তাদিরের ১১ দফা ইশতেহার

আপডেট সময় : ১১:০২:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সিলেট-১ (মহানগর ও সদর) আসনের সামগ্রিক উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে ১১ দফা সম্বলিত নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সিলেট নগরীর কাজিটুলাস্থ প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কর্মপরিকল্পনা জনগণের সামনে তুলে ধরেন।

‘কর্মসংস্থান, মানবিক উন্নয়ন ও টেকসই নগরায়নের রোডম্যাপ’ শীর্ষক এই ইশতেহারে আগামীতে নির্বাচিত হলে সিলেটকে একটি আধুনিক ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার সুনির্দিষ্ট রূপরেখা প্রদান করা হয়েছে। খন্দকার মুক্তাদির তার ইশতেহারে শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন, আইটি ও ইনোভেশন হাব প্রতিষ্ঠা এবং তরুণ প্রজন্মের দক্ষতা বৃদ্ধিতে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। এছাড়া নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য স্টার্টআপ সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি।

ইশতেহারের উল্লেখযোগ্য দিকগুলোর মধ্যে রয়েছে—কৃষিখাতের আধুনিকায়ন ও কৃষিপণ্য সংরক্ষণে কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন, সিলেটের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং একটি নারীবান্ধব নগরী গড়ে তোলা। জনস্বাস্থ্য সেবার মানোন্নয়নে বিশেষায়িত হাসপাতাল ও চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণের পাশাপাশি সিলেটের বিলুপ্তপ্রায় খালগুলো পুনরুদ্ধার ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নের কথা বলা হয়েছে।

যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে সড়ক ও রেলপথের উন্নয়নসহ ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পরিকল্পনা ইশতেহারে স্থান পেয়েছে। এছাড়া খেলাধুলার প্রসারে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ, কিশোর গ্যাং ও মাদক নির্মূলে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন এবং পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থাপনের অঙ্গীকার করা হয়েছে। ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের স্বীকৃতিস্বরূপ ইমাম ও মোয়াজ্জিনদের কল্যাণে একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের কথাও উল্লেখ করেন এই প্রার্থী।

ইশতেহার ঘোষণা শেষে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানান, তার লক্ষ্য সিলেটকে একটি কর্মসংস্থান-নির্ভর ও পরিবেশবান্ধব আধুনিক নগরীতে রূপান্তর করা। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন—বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-ক্ষুদ্র ঋণ ও কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি কাইয়ুম চৌধুরী, মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আবুল কাহের চৌধুরী শামীম ও মিজানুর রহমান চৌধুরী।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাদিয়া চৌধুরী মুন্নি, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, সাবেক সভাপতি নাসিম হোসাইন, বদরুজ্জামান সেলিম, সিভিক ভয়েসের চেয়ারম্যান পাশা খন্দকার, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আশিক উদ্দিন আশুক, সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ সিলেটের আহ্বায়ক ডা. শামীমুর রহমান এবং শাবিপ্রবি জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. শাহ মো. আতিকুল হকসহ দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।