জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেছেন, তাঁদের দল হত্যা, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয়। তিনি মন্তব্য করেন যে, অতীতে যে সরকারই ক্ষমতায় এসেছে, দুর্নীতি দমনে ব্যর্থ হয়েছে। আসন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী দলগুলোর প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, তাদের শাসনামলে বাংলাদেশ তিনবার দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কলঙ্ক অর্জন করেছিল।
বুধবার সন্ধ্যায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কনকাপৈত ইউনিয়নের তারাশাইল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. তাহের এ কথা বলেন। তিনি বলেন, “যদি আপনারা আবারও দুর্নীতি ও নৈরাজ্য দেখতে চান, তবে সেই অনুযায়ী ভোট দিন। কিন্তু যদি একটি নিরাপদ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়তে চান, তবে দুর্নীতি ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ১১ দলীয় জোটকে আপনাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করুন।”
জনসভাটি ছিল কানায় কানায় পূর্ণ এবং সেখানে বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা হাসান মজুমদারের সভাপতিত্বে এবং জামায়াত নেতা নাজমুল হক মোল্লা বাদলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ডাকসুর জিএস এসএম ফরহাদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমির মাহফুজুর রহমান, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মজিবুর রহমান ভুঁইয়া, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির ভিপি সাহাব উদ্দিন এবং সেক্রেটারি বেলাল হোসাইন।
বক্তাদের মধ্যে আরও ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মহিউদ্দিন আহমেদ ভুঁইয়া নঈম, সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেম, মোস্তফা নুরুজ্জামান খোকন, আবুল খায়ের, ইকবাল হোসেন মজুমদার, ওয়াজী উল্লাহ ভুঁইয়া খোকন, ইঞ্জিনিয়ার মজিবুর রহমান, এমদাদুল হক শাহী, রুহুল আমিন, মমিনুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা শাহজালাল, অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী এবং ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় মাদরাসা কার্যক্রম সম্পাদক আলাউদ্দিন আবির।
জনসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন গণভোট প্রচারণায় এনসিপির অ্যাম্বাসেডর আবু সুফিয়ান, যুগ্ম সমন্বয়ক মামুন মজুমদার, তারাশাইল উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি শাহ আলম এবং বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ।
রিপোর্টারের নাম 
























