ঢাকা ০৯:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

জনগণের ওপরই নির্ভরতা, চাঁদাবাজ-মাদক ব্যবসায়ীদের দিন শেষ: হাসনাত আব্দুল্লাহ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০৯:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে জামায়াত–জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জোটের প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, তার নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট নির্বাচনের জন্য সাধারণ জনগণের ওপরই নির্ভরশীল, চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ ও মাদক সম্রাটদের ওপর নয়। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, মাদক কারবারি ও অবৈধ ব্যবসায়ীদের দিন শেষ হতে চলেছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে দেবিদ্বার উপজেলার মোহনপুর ৫ নং ওয়ার্ডে আয়োজিত এক উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

হাসনাত আব্দুল্লাহ তার বক্তব্যে বলেন, “আমাদের দায়বদ্ধতা একমাত্র জনগণের কাছে। আমরা যদি কিছু করি, তবে জনগণের আদালতে তার জবাবদিহি করতে হবে।” তিনি আরও যোগ করেন, “আমরা চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ বা মাদক সম্রাটদের কাছ থেকে কোনো অর্থ গ্রহণ করিনি, তাই এসব অবৈধ ব্যবসায়ীদের কাছে আমাদের কোনো দায়বদ্ধতা নেই।” তিনি ইঙ্গিত দেন, অতীতের নেতারা নির্বাচনের জন্য এমন অবৈধ চক্রের ওপর নির্ভর করতেন।

আসন্ন নির্বাচনের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “ইনশাআল্লাহ, আগামী ১২ তারিখ মাদক সম্রাটদের শেষ দিন। সূর্য ডোবার সাথে সাথেই তাদের মাদক কারবারের অবসান ঘটবে।” হাসনাত আব্দুল্লাহ স্পষ্ট করে বলেন, “দেবিদ্বারে হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং মাদক সম্রাটরা একসাথে থাকতে পারে না। ১২ তারিখের সূর্য ডোবার সাথে সাথেই মাদক ব্যবসায়ী ও এর সঙ্গে জড়িত সকলের চূড়ান্ত পরিণতি হয়ে যাবে।”

অবৈধ পথে অর্থ উপার্জনকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “দেবিদ্বারে অনেক চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ ও মাদক ব্যবসায়ী এখন তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত। যারা কর্ম করে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলেননি এবং এতদিন অবৈধ উপায়ে জীবিকা নির্বাহ করেছেন, তারা লজ্জা না পেয়ে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। আমরা আপনাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেবো।”

ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আপনারা আমার পক্ষে প্রতিদিন কমপক্ষে ১০টি করে ভোট চাইবেন। আগামী ১২ তারিখ উৎসবমুখর পরিবেশে আপনারা সবাই মিলে ভোটকেন্দ্রে যাবেন।” তিনি ভোটারদের দুটি ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান—একটি ‘শাপলাকলি’ প্রতীকে এবং আরেকটি ‘হ্যাঁ’ ভোটে। তার মতে, “পরবর্তী বাংলাদেশের বিনির্মাণ এই ‘হ্যাঁ’ ভোটের ওপরই নির্ভর করে গড়ে উঠবে।”

উঠান বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম শহিদ, দেবিদ্বার উপজেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, দেবিদ্বার উপজেলা এনসিপির সদস্য মোসলে উদ্দিন ও জয়নাল আবেদিন, মোহনপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মোজাম্মেল হক, জামায়াত নেতা মিজানুর রহমান, কাজী সবুজসহ জামায়াত-এনসিপি জোটের বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মূল্যস্ফীতির নতুন ঝড়: কতটা প্রস্তুত বাংলাদেশ?

জনগণের ওপরই নির্ভরতা, চাঁদাবাজ-মাদক ব্যবসায়ীদের দিন শেষ: হাসনাত আব্দুল্লাহ

আপডেট সময় : ১০:০৯:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে জামায়াত–জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জোটের প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, তার নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট নির্বাচনের জন্য সাধারণ জনগণের ওপরই নির্ভরশীল, চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ ও মাদক সম্রাটদের ওপর নয়। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, মাদক কারবারি ও অবৈধ ব্যবসায়ীদের দিন শেষ হতে চলেছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে দেবিদ্বার উপজেলার মোহনপুর ৫ নং ওয়ার্ডে আয়োজিত এক উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

হাসনাত আব্দুল্লাহ তার বক্তব্যে বলেন, “আমাদের দায়বদ্ধতা একমাত্র জনগণের কাছে। আমরা যদি কিছু করি, তবে জনগণের আদালতে তার জবাবদিহি করতে হবে।” তিনি আরও যোগ করেন, “আমরা চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ বা মাদক সম্রাটদের কাছ থেকে কোনো অর্থ গ্রহণ করিনি, তাই এসব অবৈধ ব্যবসায়ীদের কাছে আমাদের কোনো দায়বদ্ধতা নেই।” তিনি ইঙ্গিত দেন, অতীতের নেতারা নির্বাচনের জন্য এমন অবৈধ চক্রের ওপর নির্ভর করতেন।

আসন্ন নির্বাচনের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “ইনশাআল্লাহ, আগামী ১২ তারিখ মাদক সম্রাটদের শেষ দিন। সূর্য ডোবার সাথে সাথেই তাদের মাদক কারবারের অবসান ঘটবে।” হাসনাত আব্দুল্লাহ স্পষ্ট করে বলেন, “দেবিদ্বারে হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং মাদক সম্রাটরা একসাথে থাকতে পারে না। ১২ তারিখের সূর্য ডোবার সাথে সাথেই মাদক ব্যবসায়ী ও এর সঙ্গে জড়িত সকলের চূড়ান্ত পরিণতি হয়ে যাবে।”

অবৈধ পথে অর্থ উপার্জনকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “দেবিদ্বারে অনেক চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ ও মাদক ব্যবসায়ী এখন তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত। যারা কর্ম করে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলেননি এবং এতদিন অবৈধ উপায়ে জীবিকা নির্বাহ করেছেন, তারা লজ্জা না পেয়ে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। আমরা আপনাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেবো।”

ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আপনারা আমার পক্ষে প্রতিদিন কমপক্ষে ১০টি করে ভোট চাইবেন। আগামী ১২ তারিখ উৎসবমুখর পরিবেশে আপনারা সবাই মিলে ভোটকেন্দ্রে যাবেন।” তিনি ভোটারদের দুটি ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান—একটি ‘শাপলাকলি’ প্রতীকে এবং আরেকটি ‘হ্যাঁ’ ভোটে। তার মতে, “পরবর্তী বাংলাদেশের বিনির্মাণ এই ‘হ্যাঁ’ ভোটের ওপরই নির্ভর করে গড়ে উঠবে।”

উঠান বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম শহিদ, দেবিদ্বার উপজেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, দেবিদ্বার উপজেলা এনসিপির সদস্য মোসলে উদ্দিন ও জয়নাল আবেদিন, মোহনপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মোজাম্মেল হক, জামায়াত নেতা মিজানুর রহমান, কাজী সবুজসহ জামায়াত-এনসিপি জোটের বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা।