ঢাকা ০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

পাকিস্তানকে হারানোর আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ

এশিয়া কাপ বা বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্ট ছাড়া বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে খুব বেশি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়নি। সাম্প্রতিক সময়ে দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ে বাংলাদেশ মাত্র একটি ম্যাচে জয়লাভ করেছে। তাই এবার পাকিস্তানের বিপক্ষে জয় পাওয়াটা বাংলাদেশের জন্য একটি বড় লক্ষ্য। এই লক্ষ্য পূরণে বাংলাদেশকে আত্মবিশ্বাস জোগাবে তাদের অতীত পারফরম্যান্স। এক দশকেরও বেশি সময় আগে, নিজেদের মাটিতে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে বাংলাদেশের। ২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত সেই সিরিজে বাংলাদেশ ৩-০ ব্যবধানে জয়লাভ করেছিল। এবারও সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে মরিয়া হয়ে থাকবে টাইগাররা।

সবশেষ অক্টোবর মাসে বাংলাদেশ একটি ওয়ানডে সিরিজ খেলেছিল। চার মাস আগে অনুষ্ঠিত সেই সিরিজে তারা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে জয়লাভ করে। এই জয় মেহেদি হাসান মিরাজ ও তার দলের খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে।

তবে, অতীত পরিসংখ্যান বাংলাদেশের পক্ষে কথা বলছে না। ওয়ানডে ফরম্যাটে দুই দলের ৩৯টি মুখোমুখি লড়াইয়ে বাংলাদেশ মাত্র ৫টি ম্যাচে জয় পেয়েছে, যেখানে পাকিস্তান জিতেছে ৩৪টি ম্যাচে। ২০১৫ সাল থেকে এখন পর্যন্ত সাতবার মুখোমুখি হয়েছে দুই দল, যার মধ্যে চারটিতে বাংলাদেশ এবং তিনটিতে পাকিস্তান জয়লাভ করেছে।

এই সিরিজে বাংলাদেশের ব্যাটিং অর্ডারে পরিবর্তন আসতে পারে। মিডল অর্ডারের ব্যর্থতার কারণে আফিফ হোসেন ধ্রুবকে দলে ফিরিয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট। বাংলাদেশ কোচ ফিল সিমন্স জানিয়েছেন যে উইকেট ভালো থাকবে, এবং পাকিস্তানের হেড কোচ মাইক হেসনও একই কথা বলেছেন। এই তথ্য থেকে ধারণা করা যায় যে বাংলাদেশ কিছুটা পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামতে পারে।

সম্ভাব্য একাদশে ওপেনিংয়ে সৌম্য সরকার ও সাইফ হাসানের জুটি দেখা যেতে পারে। সবশেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজেও এই জুটিকেই ভরসা করেছিল টিম ম্যানেজমেন্ট। ফর্মে না থাকা টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন দাস চার নম্বরে খেলতে পারেন। তাওহিদ হৃদয় পাঁচে এবং সাবেক ওয়ানডে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত তিনে ব্যাট করতে পারেন।

অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ বরাবরই ছয় বা সাত নম্বরে খেলতে চেয়েছেন। সেই হিসেবে মিডল অর্ডারের সমস্যা কাটিয়ে দলে ডাক পাওয়া আফিফ হোসেন ছয় নম্বরে জায়গা পেতে পারেন। সেক্ষেত্রে সাত নম্বরে অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ এবং আট নম্বরে রিশাদ হোসেন খেলতে পারেন। প্রতিপক্ষ অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি মনে করেন যে উইকেটে পেসাররা সহায়তা পেতে পারেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি তেলে অস্থিরতা ও ঈদযাত্রায় বাড়তি ভাড়া: আশঙ্কার মুখে লাখো ঘরমুখো মানুষ

পাকিস্তানকে হারানোর আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৮:২৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

এশিয়া কাপ বা বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্ট ছাড়া বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে খুব বেশি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়নি। সাম্প্রতিক সময়ে দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ে বাংলাদেশ মাত্র একটি ম্যাচে জয়লাভ করেছে। তাই এবার পাকিস্তানের বিপক্ষে জয় পাওয়াটা বাংলাদেশের জন্য একটি বড় লক্ষ্য। এই লক্ষ্য পূরণে বাংলাদেশকে আত্মবিশ্বাস জোগাবে তাদের অতীত পারফরম্যান্স। এক দশকেরও বেশি সময় আগে, নিজেদের মাটিতে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে বাংলাদেশের। ২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত সেই সিরিজে বাংলাদেশ ৩-০ ব্যবধানে জয়লাভ করেছিল। এবারও সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে মরিয়া হয়ে থাকবে টাইগাররা।

সবশেষ অক্টোবর মাসে বাংলাদেশ একটি ওয়ানডে সিরিজ খেলেছিল। চার মাস আগে অনুষ্ঠিত সেই সিরিজে তারা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে জয়লাভ করে। এই জয় মেহেদি হাসান মিরাজ ও তার দলের খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে।

তবে, অতীত পরিসংখ্যান বাংলাদেশের পক্ষে কথা বলছে না। ওয়ানডে ফরম্যাটে দুই দলের ৩৯টি মুখোমুখি লড়াইয়ে বাংলাদেশ মাত্র ৫টি ম্যাচে জয় পেয়েছে, যেখানে পাকিস্তান জিতেছে ৩৪টি ম্যাচে। ২০১৫ সাল থেকে এখন পর্যন্ত সাতবার মুখোমুখি হয়েছে দুই দল, যার মধ্যে চারটিতে বাংলাদেশ এবং তিনটিতে পাকিস্তান জয়লাভ করেছে।

এই সিরিজে বাংলাদেশের ব্যাটিং অর্ডারে পরিবর্তন আসতে পারে। মিডল অর্ডারের ব্যর্থতার কারণে আফিফ হোসেন ধ্রুবকে দলে ফিরিয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট। বাংলাদেশ কোচ ফিল সিমন্স জানিয়েছেন যে উইকেট ভালো থাকবে, এবং পাকিস্তানের হেড কোচ মাইক হেসনও একই কথা বলেছেন। এই তথ্য থেকে ধারণা করা যায় যে বাংলাদেশ কিছুটা পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামতে পারে।

সম্ভাব্য একাদশে ওপেনিংয়ে সৌম্য সরকার ও সাইফ হাসানের জুটি দেখা যেতে পারে। সবশেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজেও এই জুটিকেই ভরসা করেছিল টিম ম্যানেজমেন্ট। ফর্মে না থাকা টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন দাস চার নম্বরে খেলতে পারেন। তাওহিদ হৃদয় পাঁচে এবং সাবেক ওয়ানডে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত তিনে ব্যাট করতে পারেন।

অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ বরাবরই ছয় বা সাত নম্বরে খেলতে চেয়েছেন। সেই হিসেবে মিডল অর্ডারের সমস্যা কাটিয়ে দলে ডাক পাওয়া আফিফ হোসেন ছয় নম্বরে জায়গা পেতে পারেন। সেক্ষেত্রে সাত নম্বরে অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ এবং আট নম্বরে রিশাদ হোসেন খেলতে পারেন। প্রতিপক্ষ অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি মনে করেন যে উইকেটে পেসাররা সহায়তা পেতে পারেন।