ঢাকা ০৮:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

জ্বালানি জাহাজের নিরাপত্তা জোরদার: নাশকতার আশঙ্কায় বিশেষ সতর্কতা

চট্টগ্রাম বন্দরে বর্তমানে এলএনজি, এলপিজি, ডিজেল ও ক্রুড অয়েলবাহী ১৫টি জ্বালানি জাহাজ অবস্থান করছে। আগামী দেড় মাসের মধ্যে আরও চারটি জাহাজ বন্দরে এসে পৌঁছাবে, যা দেশের জ্বালানি সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে পর্যাপ্ত। তবে, দেশি-বিদেশি অপশক্তির নাশকতার আশঙ্কায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বহির্নোঙরে অবস্থানরত জাহাজগুলোর বিশেষ নিরাপত্তা চেয়েছে। নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডকে এই জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অতীতে এমন নাশকতার চেষ্টা হওয়ার নজির থাকায়, বর্তমান সংকটের সুযোগে ফের এমন ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না।

বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে এলপিজিবাহী দুটি, এলএনজিবাহী পাঁচটি, গ্যাসবাহী দুটি, হাইপার সালফারবাহী দুটি, কেমিকেলবাহী একটি, ক্রুড অয়েলবাহী একটি এবং ডিজেলবাহী দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় রয়েছে। সম্প্রতি সিঙ্গাপুর থেকে দুটি ডিজেল ট্যাংকার বন্দরে পৌঁছেছে, যার প্রতিটিতে প্রায় ৩০ হাজার টন ডিজেল রয়েছে। এছাড়াও, আরও কয়েকটি ট্যাংকার ডিজেল ও এলএনজি নিয়ে শীঘ্রই বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য প্রয়োজনীয় ফার্নেস অয়েলবাহী দুটি জাহাজও বন্দরে অবস্থান করছে। কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকেও একটি জাহাজ বিপুল পরিমাণ এলএনজি লোড করে বাংলাদেশের পথে রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাকার হ্যাটট্রিকে ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপে তৃতীয় ইংল্যান্ড, তৃপ্ত টুখেল

জ্বালানি জাহাজের নিরাপত্তা জোরদার: নাশকতার আশঙ্কায় বিশেষ সতর্কতা

আপডেট সময় : ০৪:১৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরে বর্তমানে এলএনজি, এলপিজি, ডিজেল ও ক্রুড অয়েলবাহী ১৫টি জ্বালানি জাহাজ অবস্থান করছে। আগামী দেড় মাসের মধ্যে আরও চারটি জাহাজ বন্দরে এসে পৌঁছাবে, যা দেশের জ্বালানি সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে পর্যাপ্ত। তবে, দেশি-বিদেশি অপশক্তির নাশকতার আশঙ্কায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বহির্নোঙরে অবস্থানরত জাহাজগুলোর বিশেষ নিরাপত্তা চেয়েছে। নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডকে এই জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অতীতে এমন নাশকতার চেষ্টা হওয়ার নজির থাকায়, বর্তমান সংকটের সুযোগে ফের এমন ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না।

বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে এলপিজিবাহী দুটি, এলএনজিবাহী পাঁচটি, গ্যাসবাহী দুটি, হাইপার সালফারবাহী দুটি, কেমিকেলবাহী একটি, ক্রুড অয়েলবাহী একটি এবং ডিজেলবাহী দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় রয়েছে। সম্প্রতি সিঙ্গাপুর থেকে দুটি ডিজেল ট্যাংকার বন্দরে পৌঁছেছে, যার প্রতিটিতে প্রায় ৩০ হাজার টন ডিজেল রয়েছে। এছাড়াও, আরও কয়েকটি ট্যাংকার ডিজেল ও এলএনজি নিয়ে শীঘ্রই বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য প্রয়োজনীয় ফার্নেস অয়েলবাহী দুটি জাহাজও বন্দরে অবস্থান করছে। কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকেও একটি জাহাজ বিপুল পরিমাণ এলএনজি লোড করে বাংলাদেশের পথে রয়েছে।