ঢাকা ১২:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় বিএনপি নেতা সমীরণ দেওয়ান বহিষ্কৃত

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫২:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সমীরণ দেওয়ানকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় তার বিরুদ্ধে এই সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

রোববার বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই বহিষ্কারের কথা জানানো হয়। দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সংগঠনবিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে সমীরণ দেওয়ানকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

জানা গেছে, খাগড়াছড়ি আসনে এবার বিএনপির পক্ষ থেকে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়াকে। তবে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে সমীরণ দেওয়ান ‘ফুটবল’ প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নামেন। দলের নির্দেশ অমান্য করে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বজায় রাখায় তাকে শেষ পর্যন্ত বহিষ্কারের পথ বেছে নিল বিএনপি।

রাজনৈতিক ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সমীরণ দেওয়ান এই আসন থেকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এবং সেই নির্বাচনে তিনি দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন।

এদিকে, বহিষ্কারের বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাননি সমীরণ দেওয়ান। বর্তমানে তিনি নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এর আগে এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি অভিযোগ করেছিলেন, জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া আইনি জটিলতার কারণে নিজে নির্বাচন করতে না পেরে তার আত্মীয়কে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন, যা সমীরণের বিজয়কে বাধাগ্রস্ত করার একটি কৌশল।

দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় সমীরণ দেওয়ানের এই বহিষ্কারাদেশ খাগড়াছড়ির স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সমীরণ দেওয়ানের সমর্থক ও স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্ব অর্থনীতিতে সেমিকন্ডাক্টরের রাজত্ব এবং বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনা

দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় বিএনপি নেতা সমীরণ দেওয়ান বহিষ্কৃত

আপডেট সময় : ১১:৫২:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সমীরণ দেওয়ানকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় তার বিরুদ্ধে এই সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

রোববার বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই বহিষ্কারের কথা জানানো হয়। দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সংগঠনবিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে সমীরণ দেওয়ানকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

জানা গেছে, খাগড়াছড়ি আসনে এবার বিএনপির পক্ষ থেকে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়াকে। তবে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে সমীরণ দেওয়ান ‘ফুটবল’ প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নামেন। দলের নির্দেশ অমান্য করে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বজায় রাখায় তাকে শেষ পর্যন্ত বহিষ্কারের পথ বেছে নিল বিএনপি।

রাজনৈতিক ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সমীরণ দেওয়ান এই আসন থেকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এবং সেই নির্বাচনে তিনি দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন।

এদিকে, বহিষ্কারের বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাননি সমীরণ দেওয়ান। বর্তমানে তিনি নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এর আগে এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি অভিযোগ করেছিলেন, জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া আইনি জটিলতার কারণে নিজে নির্বাচন করতে না পেরে তার আত্মীয়কে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন, যা সমীরণের বিজয়কে বাধাগ্রস্ত করার একটি কৌশল।

দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় সমীরণ দেওয়ানের এই বহিষ্কারাদেশ খাগড়াছড়ির স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সমীরণ দেওয়ানের সমর্থক ও স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।