কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজে সম্প্রতি সাতজন শিক্ষকের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছিল, তা নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন ও অভিজ্ঞ শিক্ষকদের বদলি না করার অনুরোধের পর শূন্য হওয়া পদগুলোতে নতুন ছয়জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের বদলির যথাযথ কারণ দর্শানো এবং মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবিতে কলেজ প্রশাসনের মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি জমা দিয়েছিলেন। তাদের মূল দাবি ছিল, অভিজ্ঞ শিক্ষকদের আকস্মিক বদলির কারণে কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে এবং শিক্ষার্থীদের পাঠদান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
শিক্ষার্থীদের এই উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে কলেজের শূন্য পদগুলোতে নতুন শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়। এতে পাঠদান কার্যক্রমে সম্ভাব্য সংকট অনেকটাই কাটবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে নবনিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নতুনভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকেরা হলেন—বাংলা বিভাগের অধ্যাপক মোস্তফা সারোয়ার, অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ আশিকুর রহমান, ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আব্দুল মতিন, গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক খালেদ ইকবাল জুয়েল, ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক ইসরাফুল ইসলাম ভূঁইয়া এবং ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাজী হবিব উল্লাহ।
উল্লেখ্য, গত ১৩ জুলাই জলাবদ্ধতার মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ায় সারা দেশে সমালোচনার মুখে পড়েন শিক্ষামন্ত্রী। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৩ জুলাই কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের সাত শিক্ষককে বদলি করা হয়েছিল।
রিপোর্টারের নাম 






















