জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কমিটির নায়েবে আমির এবং রংপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, স্বাধীনতার পর থেকে দেশে ঐক্যের রাজনীতি না থাকায় বাংলাদেশের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন অর্জিত হয়নি। তিনি অভিযোগ করেন, স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে যারা ক্ষমতায় এসেছেন, তারা নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনেই ব্যস্ত ছিলেন, দেশের কল্যাণের কথা ভাবেননি।
রোববার সন্ধ্যায় রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের মাদারগঞ্জে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এটিএম আজহার বলেন, বাংলাদেশ মোটেও দরিদ্র রাষ্ট্র নয়। বরং একটি অসাধু চক্র দেশকে লুটেপুটে নিঃস্ব করে রেখেছে। দেশের বিত্তশালীরা দরিদ্র মানুষের কল্যাণে অর্থ ব্যয় না করে বিদেশে সম্পদ পাচার করছেন। তার মতে, এই অর্থ দেশে বিনিয়োগ হলে খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ উপকৃত হতো এবং দেশের অর্থনীতিও চাঙ্গা হতো।
বিদেশে কর্মরত শ্রমিকদের অবদানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রবাসে কর্মরত লাখো শ্রমিকের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা দেশের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। কিন্তু বিভাজনের রাজনীতি এই অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করছে এবং সমাজে হিংসা-বিদ্বেষ বাড়াচ্ছে।
এটিএম আজহারুল ইসলাম আরও বলেন, ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীরা দুর্নীতিমুক্ত এবং তারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ‘জুলাই বিপ্লবে’ ছাত্র-জনতার সঙ্গে একাত্ম হয়েছিলেন। তিনি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জোটের প্রার্থীদের বিজয়ী করার জন্য ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান।
ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই জনসভায় উপজেলা জামায়াতের আমির কামারুজ্জামান, নায়েবে আমির শাহ মুহাম্মদ রুস্তম আলীসহ এনসিপি ও ১১ দলীয় জোটের অন্যান্য নেতারা বক্তব্য রাখেন।
রিপোর্টারের নাম 
























