ফেনী ১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক মুন্সি রফিকুল আলম মজনু বলেছেন, জান্নাত প্রদানের মালিকানা একমাত্র আল্লাহর, কোনো রাজনৈতিক দলের নয়। জামায়াতের মতো একটি দল জান্নাতের প্রলোভন দেখিয়ে ভোট চাইছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। গত রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দিনব্যাপী ফেনীর বক্সমাহমুদ ইউনিয়নে আয়োজিত বিভিন্ন গণসংযোগ ও নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মুন্সি রফিকুল আলম মজনু তার বক্তব্যে বলেন, একটি রাজনৈতিক দল মানুষকে জান্নাতে পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট চাইছে। তারা বলছে, একটি ভোট দিলেই নাকি জান্নাত পাওয়া যাবে। অথচ জান্নাতে নেওয়ার ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহর। তিনি প্রশ্ন রাখেন, আল্লাহ ছাড়া অন্য কেউ কি কাউকে জান্নাতে নিতে পারে? তিনি আরও যোগ করেন, পৃথিবীতে জীবিত অবস্থায় জান্নাতের সুসংবাদ পেয়েছিলেন মাত্র দশজন সাহাবী, তাদের ছাড়া আর কোনো ব্যক্তি এমন খবর পাননি।
দিনব্যাপী এই নির্বাচনী প্রচারণায় বক্সমাহমুদ ইউনিয়নের তালবাড়িয়া, মোহাম্মদপুর সরকারি বিদ্যালয়, দক্ষিণ কেতরাঙা চৌরাস্তা, উত্তর কেতরাঙা ঈদগাহ, দক্ষিণ গুথুমা মানগাজী, বাগমারা জমিয়ার গাঁও দারোগা বাড়ির সামনে, টেটেশ্বর বৈদ্য বাড়ির পাশে এবং সাতকুচিয়া হাসিনা মঞ্জিলে পৃথক পৃথক পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।
নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি আরও বলেন, জান্নাত প্রদানের মালিকানা একমাত্র আল্লাহর, জামায়াতের নয়। তিনি জামায়াতকে একটি মৌলবাদী দল হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, এরা ক্ষমতায় এলে দেশ ও দশের মারাত্মক ক্ষতি হবে। দেশের উন্নয়ন ও জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জামায়াত নয়, বিএনপিকে ভোট দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আনার আহ্বান জানান তিনি। আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে বিএনপিকে জয়যুক্ত করার জন্য উপস্থিত জনতার প্রতি অনুরোধ জানান মুন্সি মজনু।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু তালেব, ফেনী জেলা যুবদলের আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন খোন্দকার, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবদুল হালিম মানিক, সদস্য সচিব ইব্রাহিম খলিল মনি, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবদুল আলিম মাকসুদ, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শামসুল আলম শাকিল, যুগ্ম আহ্বায়ক জহিরুল ইসলাম জহির, যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল খায়ের লিটন, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মোস্তফা খোকন, যুগ্ম আহ্বায়ক মিসফাকুস সামাদ রনিসহ উপজেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
রিপোর্টারের নাম 
























