ঢাকা ০৪:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

২০২৬ সালের রমজান: জ্যোতির্বিদদের পূর্বাভাস, ১৯ ফেব্রুয়ারি রোজা শুরুর সম্ভাবনা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩০:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

২০২৬ সালের পবিত্র রমজান মাস শুরুর সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছেন জ্যোতির্বিদরা। তাদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, যেসব দেশে নিশ্চিত চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে রমজান মাস পালিত হয়, সেখানে আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) থেকে রোজা শুরু হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।

জ্যোতির্বিদদের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব এবং অধিকাংশ আরব দেশে শাবান মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। এই পরিস্থিতিতে, ১৮ ফেব্রুয়ারি শাবান মাসের ৩০তম দিন হিসেবে গণ্য হতে পারে। সেই হিসাব অনুযায়ী, ১৯ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) পবিত্র রমজানের প্রথম দিন হওয়ার সম্ভাবনাই অধিক।

সাধারণত, নতুন চাঁদ দেখার সাপেক্ষে রমজান মাসের সূচনা ঘটে। তবে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা গ্রহ-নক্ষত্রের গতিবিধি বিশ্লেষণ করে একটি সম্ভাব্য তারিখের পূর্বাভাস দিয়ে থাকেন। এই পূর্বাভাস চূড়ান্ত চাঁদ দেখার ঘোষণার আগ পর্যন্ত একটি ধারণা দেয়, যা বিভিন্ন দেশের স্থানীয় চাঁদ দেখার কমিটির সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিলেটের আলোচিত জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলমকে আকস্মিক প্রত্যাহার

২০২৬ সালের রমজান: জ্যোতির্বিদদের পূর্বাভাস, ১৯ ফেব্রুয়ারি রোজা শুরুর সম্ভাবনা

আপডেট সময় : ০৭:৩০:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

২০২৬ সালের পবিত্র রমজান মাস শুরুর সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছেন জ্যোতির্বিদরা। তাদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, যেসব দেশে নিশ্চিত চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে রমজান মাস পালিত হয়, সেখানে আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) থেকে রোজা শুরু হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।

জ্যোতির্বিদদের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব এবং অধিকাংশ আরব দেশে শাবান মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। এই পরিস্থিতিতে, ১৮ ফেব্রুয়ারি শাবান মাসের ৩০তম দিন হিসেবে গণ্য হতে পারে। সেই হিসাব অনুযায়ী, ১৯ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) পবিত্র রমজানের প্রথম দিন হওয়ার সম্ভাবনাই অধিক।

সাধারণত, নতুন চাঁদ দেখার সাপেক্ষে রমজান মাসের সূচনা ঘটে। তবে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা গ্রহ-নক্ষত্রের গতিবিধি বিশ্লেষণ করে একটি সম্ভাব্য তারিখের পূর্বাভাস দিয়ে থাকেন। এই পূর্বাভাস চূড়ান্ত চাঁদ দেখার ঘোষণার আগ পর্যন্ত একটি ধারণা দেয়, যা বিভিন্ন দেশের স্থানীয় চাঁদ দেখার কমিটির সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে।