ঢাকা ০৬:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

ধর্ষণ ও ভ্রূণ হত্যার অভিযোগে শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে

কুমিল্লায় এক নারীকে ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ভ্রূণ নষ্ট করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান মিয়ার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার দুপুরে কুমিল্লার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-৩ এর বিচারক তৈয়ব উদ্দিন আহমেদ এই আদেশ দেন। মামলার তদন্তকারী সংস্থা কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আট দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত দুই দিন মঞ্জুর করেন।

জিসান মিয়া ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক এবং কুমিল্লা জেলা পশ্চিম শাখার সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এর আগে গত ১২ জুন রাতে লাকসাম রেলওয়ে জংশন এলাকা থেকে তাকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে এক নারী বাদী হয়ে জিসানসহ আরও তিনজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের সহযোগিতার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় গত মঙ্গলবার তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। ঘটনার পর সংগঠন থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন সেকান্দর আলী, গোলাম রাব্বী ও সজীব হাসান। ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল আলম শাহ জানান, মামলার সুষ্ঠু তদন্ত এবং ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিলের আবেদন করলেও আদালত তা নাকচ করে দেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভবিষ্যতের আকাশপথে বাংলাদেশের রূপরেখা: জাতীয় মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন শুরু

ধর্ষণ ও ভ্রূণ হত্যার অভিযোগে শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে

আপডেট সময় : ০৪:৪৯:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

কুমিল্লায় এক নারীকে ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ভ্রূণ নষ্ট করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান মিয়ার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার দুপুরে কুমিল্লার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-৩ এর বিচারক তৈয়ব উদ্দিন আহমেদ এই আদেশ দেন। মামলার তদন্তকারী সংস্থা কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আট দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত দুই দিন মঞ্জুর করেন।

জিসান মিয়া ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক এবং কুমিল্লা জেলা পশ্চিম শাখার সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এর আগে গত ১২ জুন রাতে লাকসাম রেলওয়ে জংশন এলাকা থেকে তাকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে এক নারী বাদী হয়ে জিসানসহ আরও তিনজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের সহযোগিতার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় গত মঙ্গলবার তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। ঘটনার পর সংগঠন থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন সেকান্দর আলী, গোলাম রাব্বী ও সজীব হাসান। ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল আলম শাহ জানান, মামলার সুষ্ঠু তদন্ত এবং ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিলের আবেদন করলেও আদালত তা নাকচ করে দেন।