আজ শনিবার নেপালের মাঠে পর্দা উঠছে অনূর্ধ্ব-১৯ নারী সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের। এই আসরে বাংলাদেশ দলের কোচের দায়িত্বে থাকছেন জাতীয় দলের কোচ পিটার বাটলার। তবে টুর্নামেন্ট শুরুর আগের দিন আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে এক ভিন্ন লক্ষ্যের কথা জানিয়েছেন এই ইংলিশ কোচ। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, শিরোপা জেতা তার প্রধান অগ্রাধিকার নয়, বরং নতুন প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করাই তার মুখ্য উদ্দেশ্য।
বাফুফে এই বয়সভিত্তিক দলের নেপাল যাত্রার আগে কোনো সংবাদ সম্মেলন আয়োজন না করলেও, টুর্নামেন্টের আগের দিন কোচ বাটলার তার কৌশলগত ভাবনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “আমি এখানে ট্রফি জেতার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ নই। এটি আমার প্রধান অগ্রাধিকারও নয়। আমার মূল লক্ষ্য হলো, যারা ভালো পারফরম্যান্স করছে, তাদের চিহ্নিত করা এবং আসন্ন অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের জন্য মূল্যায়ন করা। টুর্নামেন্টে তারা কতটা ভূমিকা রাখতে পারে, সেটিই আমার দেখার বিষয়। জয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করা আমার অগ্রাধিকারে নেই।”
কোচ বাটলার আরও যোগ করেন, “আমি পাইপলাইন উন্নতির কাজ চালিয়ে যেতে এসেছি, যা গত দুই বছর ধরে করে আসছি। এখন অনূর্ধ্ব-২০ দল নিয়ে এসেছি তাদের উন্নতির জন্য। আমার মনোযোগ টুর্নামেন্ট জয়ের দিকে নয়, বরং খেলোয়াড়দের যাচাই করা, যারা বড় মঞ্চে খেলার সক্ষমতা রাখে।” সাফের মতো বড় মঞ্চে নিজেদের প্রমাণ করতে বাংলাদেশের মেয়েরা মুখিয়ে থাকলেও, এটি তাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হবে বলে স্বীকার করেছেন কোচ বাটলার।
আজ ভুটানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ নারী সাফে বাংলাদেশের মিশন শুরু হবে। এরপর ২ ফেব্রুয়ারি ভারতের এবং ৪ ফেব্রুয়ারি স্বাগতিক নেপালের মুখোমুখি হবে কোচ বাটলারের শিষ্যরা। টুর্নামেন্টের খেলাগুলো রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ দুটি দল আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শিরোপা নির্ধারণী ফাইনাল ম্যাচে লড়বে। এর আগে অনূর্ধ্ব-২০ নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের মেয়েরা শিরোপা জয়ের গৌরব অর্জন করেছিল।
বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দল:
ইয়ারজান বেগম, মেঘলা রানী রায়, ঈশিতা ত্রিপুরা, জয়নব বিবি রিতা, অর্পিতা বিশ্বাস অর্পিতা, সুরভি রানী, ক্রানুচিং মারমা, পূজা দাস, প্রতিমা মুন্দা, সুরভি আক্তার আফরিন, মুনকি আক্তার, শান্তি মার্দি, বন্যা খাতুন, রুপা আক্তার, মোমিতা খাতুন, থুইনুই মারমা, মিরা খাতুন, তৃষ্ণা রানী, আলপি আক্তার, মামনি চাকমা, পূর্ণিমা মারমা, অয়ন্ত বালা মাহাতো ও সুরভি আকন্দ প্রীতি।
রিপোর্টারের নাম 
























